Dhaka ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীর সেনবাগে টাকা না দেওয়ায় নিজ গায়ে আগুন দিলেন তৃতীয় লিঙ্গের চুমকি

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ০১:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ মার্চ ২০২২
  • 1

 

 নোয়াখালী থেকে আবদুল বাসেদঃ নোয়াখালীর সেনবাগে দাবি অনুযায়ী টাকা না দেওয়ায় নিজ গায়ে আগুন দিয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের চুমকি (২৬)। শুক্রবার (১৮ মার্চ) সকালে উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের তাহেরপুর গ্রামের রেজ্জাক পুলিশের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুমকি হিজড়াসহ তৃতীয় লিঙ্গের লোকজন নবজাতকের জন্ম হয়েছে খবর পেয়ে রেজ্জাক পুলিশের বাড়িতে আসেন। নবজাতকের বাবা প্রবাসী হওয়ায় তৃতীয় লিঙ্গের লোকজন পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। নবজাতকের মা ৪০০ টাকা দিলে তারা গায়ে আগুন লাগানোর ভয় দেখিয়ে পুরো টাকা দাবি করেন। একপর্যায়ে আগুনের ভয় দেখাতে গিয়ে চুমকি হিজড়ার গায়ে আগুন ধরে যায়। তাৎক্ষণিক বাড়ির লোকজন ১৫০০ টাকা দিলে তারা বাড়ি ত্যাগ করেন। এরপর আবার তৃতীয় লিঙ্গের লোকজন এসে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় নবজাতকের মা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের সেনবাগ থানায় নিয়ে যায়।

কাদরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, হিজড়াদের চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকা আমার পক্ষ থেকে দিয়েছি। তারা আরও টাকা দাবি করছে। অথচ ভুল তাদের কিন্তু খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের।

সেনবাগ থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. এমদাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান,  উভয় পক্ষ থানায় রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগের আলোকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

নোয়াখালীর সেনবাগে টাকা না দেওয়ায় নিজ গায়ে আগুন দিলেন তৃতীয় লিঙ্গের চুমকি

আপডেট এর সময় : ০১:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ মার্চ ২০২২

 

 নোয়াখালী থেকে আবদুল বাসেদঃ নোয়াখালীর সেনবাগে দাবি অনুযায়ী টাকা না দেওয়ায় নিজ গায়ে আগুন দিয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের চুমকি (২৬)। শুক্রবার (১৮ মার্চ) সকালে উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের তাহেরপুর গ্রামের রেজ্জাক পুলিশের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুমকি হিজড়াসহ তৃতীয় লিঙ্গের লোকজন নবজাতকের জন্ম হয়েছে খবর পেয়ে রেজ্জাক পুলিশের বাড়িতে আসেন। নবজাতকের বাবা প্রবাসী হওয়ায় তৃতীয় লিঙ্গের লোকজন পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। নবজাতকের মা ৪০০ টাকা দিলে তারা গায়ে আগুন লাগানোর ভয় দেখিয়ে পুরো টাকা দাবি করেন। একপর্যায়ে আগুনের ভয় দেখাতে গিয়ে চুমকি হিজড়ার গায়ে আগুন ধরে যায়। তাৎক্ষণিক বাড়ির লোকজন ১৫০০ টাকা দিলে তারা বাড়ি ত্যাগ করেন। এরপর আবার তৃতীয় লিঙ্গের লোকজন এসে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় নবজাতকের মা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাদের সেনবাগ থানায় নিয়ে যায়।

কাদরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. গিয়াস উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, হিজড়াদের চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকা আমার পক্ষ থেকে দিয়েছি। তারা আরও টাকা দাবি করছে। অথচ ভুল তাদের কিন্তু খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের।

সেনবাগ থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. এমদাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান,  উভয় পক্ষ থানায় রয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগের আলোকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।