Dhaka ১১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০০ দিনের কাজের হিসাব দিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বললেন বাণিজ্যচুক্তি ‘ঐতিহাসিক’

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ০৭:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • 1

--বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন তার দায়িত্ব পালনের প্রথম ১০০ দিন পূর্ণ করেছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) এ উপলক্ষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি দুই দেশের ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আগামী দিনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা নিয়ে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিকে ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেছেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমি ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থানগুলো ভ্রমণ করছি, পহেলা বৈশাখের উৎসবে আনন্দ করেছি, প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ দেখেছি এবং একজন স্থানীয় ব্লগারের সঙ্গে নতুন সব খাবারের স্বাদ নিচ্ছি। এর চেয়ে বেশি কিছু আমাদের চাওয়ার ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এখানে এসেছি। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঠিক আগে। আমার দেশ যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম দেশ হিসেবে নির্বাচনের ফলাফলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল এবং নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি সুষ্পষ্ট রূপরেখা নির্ধারণ করেছেন। আর আমি তা বাস্তবে রূপান্তর করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।’বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এটি আমাদের বাণিজ্য ঘাটতির ভারসাম্য রক্ষা করবে এবং উভয় দেশকে আরো সমৃদ্ধ করবে। এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে আমি বাংলাদেশের সর্বত্র মার্কিন ব্যবসায়ীদের হয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমি আরো একটি বিশেষ বছরে এখানে এসেছি। সামনে আমেরিকার ২৫০তম জন্মদিন। আমি আশা করি আপনারা সবাই আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। কারণ আমরা বাংলাদেশজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির ২৫০ বছর উদযাপন করব।’

সামনের দিনগুলো নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে এই রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘১০০ দিন পর আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরো বেশি আশাবাদী। আমরা সামনে আরো কী কী অর্জন করতে পারব, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। সবাই ভালো থাকবেন, আবার দেখা হবে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

১০০ দিনের কাজের হিসাব দিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বললেন বাণিজ্যচুক্তি ‘ঐতিহাসিক’

আপডেট এর সময় : ০৭:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন তার দায়িত্ব পালনের প্রথম ১০০ দিন পূর্ণ করেছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) এ উপলক্ষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি দুই দেশের ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আগামী দিনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা নিয়ে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিকে ঐতিহাসিক বলে মন্তব্য করেছেন। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমি ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থানগুলো ভ্রমণ করছি, পহেলা বৈশাখের উৎসবে আনন্দ করেছি, প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ দেখেছি এবং একজন স্থানীয় ব্লগারের সঙ্গে নতুন সব খাবারের স্বাদ নিচ্ছি। এর চেয়ে বেশি কিছু আমাদের চাওয়ার ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এখানে এসেছি। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঠিক আগে। আমার দেশ যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম দেশ হিসেবে নির্বাচনের ফলাফলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল এবং নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ককে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি সুষ্পষ্ট রূপরেখা নির্ধারণ করেছেন। আর আমি তা বাস্তবে রূপান্তর করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।’বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এটি আমাদের বাণিজ্য ঘাটতির ভারসাম্য রক্ষা করবে এবং উভয় দেশকে আরো সমৃদ্ধ করবে। এই বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে আমি বাংলাদেশের সর্বত্র মার্কিন ব্যবসায়ীদের হয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আমি আরো একটি বিশেষ বছরে এখানে এসেছি। সামনে আমেরিকার ২৫০তম জন্মদিন। আমি আশা করি আপনারা সবাই আমাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। কারণ আমরা বাংলাদেশজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তির ২৫০ বছর উদযাপন করব।’

সামনের দিনগুলো নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে এই রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘১০০ দিন পর আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরো বেশি আশাবাদী। আমরা সামনে আরো কী কী অর্জন করতে পারব, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। সবাই ভালো থাকবেন, আবার দেখা হবে।’