Dhaka ১১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন ৮

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ০৩:৪২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • 1

সিলেট ব্যুরোঃ
সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নে আব্দুল মুমিন হত্যা মামলায় আট আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।গত মঙ্গলবার সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে মামলার অপর ১২ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: জকিগঞ্জের নিজ গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে কাওসার আহমদ, কয়েছ আমদ, ছয়েফ আহমদ, জুনেদ আহমদ, শফিকুর রহমানের ছেলে শাহীন আহমদ, তজামুল আলীর ছেলে সরোয়ার হোসেন, বারহাল ইউনিয়নের পুটিজরি গ্রামের গুলজার হোসেন এবং বিয়ানীবাজার উপজেলার সুরাবৈত গ্রামের আব্দুল কাদির।

আসামিদের মধ্যে শাহীন আহমদ ও জুনেদ আহমদ রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে বাকিরা জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। নিহত মুমিনের শ্বশুর সাত্তার মিয়া বলেন, “হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল অন্তত ২০ জন। পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা হলেও আদালত মাত্র আটজনকে সাজা দিয়েছেন, বাকিদের খালাস দিয়েছেন। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।” মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ লালা জানান, “রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। উচ্চ আদালতে আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

উল্লেখ্য, বারহাল ইউনিয়নে একটি সামাজিক বিরোধের জেরে ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে আব্দুল মুমিনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার আদালতে মামলা করে, যা দীর্ঘ শুনানি শেষে এই রায়ে গড়ায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

সিলেটে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন ৮

আপডেট এর সময় : ০৩:৪২:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

সিলেট ব্যুরোঃ
সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নে আব্দুল মুমিন হত্যা মামলায় আট আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।গত মঙ্গলবার সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে মামলার অপর ১২ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: জকিগঞ্জের নিজ গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে কাওসার আহমদ, কয়েছ আমদ, ছয়েফ আহমদ, জুনেদ আহমদ, শফিকুর রহমানের ছেলে শাহীন আহমদ, তজামুল আলীর ছেলে সরোয়ার হোসেন, বারহাল ইউনিয়নের পুটিজরি গ্রামের গুলজার হোসেন এবং বিয়ানীবাজার উপজেলার সুরাবৈত গ্রামের আব্দুল কাদির।

আসামিদের মধ্যে শাহীন আহমদ ও জুনেদ আহমদ রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে বাকিরা জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। নিহত মুমিনের শ্বশুর সাত্তার মিয়া বলেন, “হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল অন্তত ২০ জন। পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা হলেও আদালত মাত্র আটজনকে সাজা দিয়েছেন, বাকিদের খালাস দিয়েছেন। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব।” মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ লালা জানান, “রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। উচ্চ আদালতে আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

উল্লেখ্য, বারহাল ইউনিয়নে একটি সামাজিক বিরোধের জেরে ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে আব্দুল মুমিনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার আদালতে মামলা করে, যা দীর্ঘ শুনানি শেষে এই রায়ে গড়ায়।