Dhaka ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংখ্যালঘু পরিবারে হামলা ও কিশোর অপহরণ

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১২:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০২৪
  • 1

--প্রতীকী ছবি

অনলাইন ডেস্কঃ

সংখ্যালঘু একটি পরিবারে হামলা ও লুটপাট করে কিশোরকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ৮টার দিকে যশোরের মণিরামপুরে উপজেলার জালালপুর ঘোষ পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। অপহরণের শিকার কিশোরের নাম পিয়াশ ঘোষ (১৪)। সে পলাশ ঘোষের ছেলে ও স্থানীয় জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়রা জানায়, সংখ্যালঘু পরিবারে হামলা ও কিশোরকে অপহরণের খবরে এগিয়ে আসে স্থানীয়রা। চার ঘণ্টা পর কিশোরকে উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আবুল হাসান। তার বাড়ি উপজেলার শাহপুর এলাকায়।

পলাশ ঘোষ বলেন, ‘৫-৭ বছর আগে আবুল হাসান আমার কাছ থেকে লাভের ওপর তিন লাখ টাকা নেন। সেই টাকা পরে পাঁচ লাখে দাঁড়ায়। স্থানীয়ভাবে সালিস দরবার করে টাকা আদায় করতে পারিনি।

পলাশ ঘোষ আরো বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ৭-৮টি মোটরসাইকেলে চড়ে আবুল হাসান, তার ছেলেসহ ১৫-২০ জন লোক আমার বাড়িতে আসে।

অপহরণের শিকার পিয়াস ঘোষ বলেন,‘ আমাকে নিয়ে একটি আমবাগানে নিয়ে বসিয়ে রাখে। বাড়ি ফোন করে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। পরে রাত ১২টার দিকে গলদা বাজারে এনে ছেড়ে দেয় তারা।’

অভিযুক্ত আবুল হাসানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে উদ্ধারকারী খেদাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুজ্জামান শান্ত বলেন, ‘টাকা-পয়সার লেনদেন ধরে এই ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার জামিনে বেরিয়ে লোক ভাড়া করে আনে মাস্টার হাসান। মোটরসাইকেল ও কিশোরকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছি।’

মণিরামপুর থানার ওসি এ বি এম মেহেদী মাসুদ বলেন, এই বিষয়ে কেউ জানায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

সংখ্যালঘু পরিবারে হামলা ও কিশোর অপহরণ

আপডেট এর সময় : ১২:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০২৪
অনলাইন ডেস্কঃ

সংখ্যালঘু একটি পরিবারে হামলা ও লুটপাট করে কিশোরকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ৮টার দিকে যশোরের মণিরামপুরে উপজেলার জালালপুর ঘোষ পাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। অপহরণের শিকার কিশোরের নাম পিয়াশ ঘোষ (১৪)। সে পলাশ ঘোষের ছেলে ও স্থানীয় জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয়রা জানায়, সংখ্যালঘু পরিবারে হামলা ও কিশোরকে অপহরণের খবরে এগিয়ে আসে স্থানীয়রা। চার ঘণ্টা পর কিশোরকে উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আবুল হাসান। তার বাড়ি উপজেলার শাহপুর এলাকায়।

পলাশ ঘোষ বলেন, ‘৫-৭ বছর আগে আবুল হাসান আমার কাছ থেকে লাভের ওপর তিন লাখ টাকা নেন। সেই টাকা পরে পাঁচ লাখে দাঁড়ায়। স্থানীয়ভাবে সালিস দরবার করে টাকা আদায় করতে পারিনি।

পলাশ ঘোষ আরো বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ৭-৮টি মোটরসাইকেলে চড়ে আবুল হাসান, তার ছেলেসহ ১৫-২০ জন লোক আমার বাড়িতে আসে।

অপহরণের শিকার পিয়াস ঘোষ বলেন,‘ আমাকে নিয়ে একটি আমবাগানে নিয়ে বসিয়ে রাখে। বাড়ি ফোন করে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। পরে রাত ১২টার দিকে গলদা বাজারে এনে ছেড়ে দেয় তারা।’

অভিযুক্ত আবুল হাসানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে উদ্ধারকারী খেদাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুজ্জামান শান্ত বলেন, ‘টাকা-পয়সার লেনদেন ধরে এই ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার জামিনে বেরিয়ে লোক ভাড়া করে আনে মাস্টার হাসান। মোটরসাইকেল ও কিশোরকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছি।’

মণিরামপুর থানার ওসি এ বি এম মেহেদী মাসুদ বলেন, এই বিষয়ে কেউ জানায়নি।