Dhaka ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শপথ অনুষ্ঠানে মোদি নয়, আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১২:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 1

--ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।

অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরিবর্তে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লোকসভার স্পিকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকার তথ্য জানিয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও স্থায়ী বন্ধুত্বের ওপর জোর দেয়, যা আমাদের দুই জাতিকে আবদ্ধ করে এমন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের দৃঢ় অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে।
ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

শপথ অনুষ্ঠানে মোদি নয়, আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার

আপডেট এর সময় : ১২:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
অনলাইন ডেস্ক:

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পরিবর্তে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লোকসভার স্পিকারের শপথ অনুষ্ঠানে থাকার তথ্য জানিয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে স্পিকারের অংশগ্রহণ ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও স্থায়ী বন্ধুত্বের ওপর জোর দেয়, যা আমাদের দুই জাতিকে আবদ্ধ করে এমন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের দৃঢ় অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করে।