Dhaka ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে খাল পুনঃখনন শেষে সরকারি কোষাগারে ফিরল প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা

--প্রেরিত ছবি

মো. রবিউস সানি আকাশ
স্টাফ রিপোর্টার:

লক্ষ্মীপুর জেলার পাঁচটি উপজেলার ৯টি খাল পুনঃখনন প্রকল্প নির্ধারিত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নের পর অব্যয়িত ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৫ হাজার ৩৭০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে মোট ১০ কোটি ২৭ লাখ ১৫ হাজার ১৮ টাকা ব্যয়ে ৪৩ দশমিক ৮২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। সরকারি অর্থের সাশ্রয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার এ উদ্যোগ স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় উপজেলা প্রশাসন ও ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় ২ কোটি ৮৪ লাখ ৮৬ হাজার ৪১৩ টাকা ব্যয়ে জয়পুর ও ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১১ দশমিক ৬ কিলোমিটার এবং নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার হাজিপাড়া ও চন্দ্রগঞ্জ খালের অতিরিক্ত ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটারসহ মোট ১৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়। কাজ শেষে অব্যয়িত ৩৩ লাখ ৩ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।
রায়পুর উপজেলায় চরমোহনা ও উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের তিনটি খালের ১৫ দশমিক ২২ কিলোমিটার পুনঃখনন প্রকল্পে ৩ কোটি ৯১ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭৯ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে প্রায় ৬৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
রামগঞ্জ উপজেলার লামচর ইউনিয়নের করিমের খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা বরাদ্দ থেকে ৩৮ লাখ ৪০ হাজার ৯১০ টাকা, কমলনগর উপজেলার দুইটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ২ কোটি ৪২ লাখ ১২ হাজার ১৬৭ টাকা বরাদ্দ থেকে ৩৮ লাখ ২৬ হাজার ৩৯ টাকা এবং রামগতি উপজেলার আলেকজেন্ডার খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ৩০ লাখ ৯৪ হাজার ১১৭ টাকা বরাদ্দ থেকে ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪২১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, “সরকারি অর্থ অপচয় না করে যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের টাকার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এ উদ্যোগ সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।”
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “১০০ শতাংশ ডিজাইন অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।”
সরকারি অর্থের সাশ্রয় ও মানসম্মত প্রকল্প বাস্তবায়নের এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও উপজেলা প্রশাসনের এ কার্যক্রমের প্রশংসা করে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Syed Enamul Huq

Popular Post

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

লক্ষ্মীপুরে খাল পুনঃখনন শেষে সরকারি কোষাগারে ফিরল প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা

Update Time : ১১:১৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মো. রবিউস সানি আকাশ
স্টাফ রিপোর্টার:

লক্ষ্মীপুর জেলার পাঁচটি উপজেলার ৯টি খাল পুনঃখনন প্রকল্প নির্ধারিত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নের পর অব্যয়িত ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৫ হাজার ৩৭০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে মোট ১০ কোটি ২৭ লাখ ১৫ হাজার ১৮ টাকা ব্যয়ে ৪৩ দশমিক ৮২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। সরকারি অর্থের সাশ্রয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার এ উদ্যোগ স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় উপজেলা প্রশাসন ও ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় ২ কোটি ৮৪ লাখ ৮৬ হাজার ৪১৩ টাকা ব্যয়ে জয়পুর ও ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১১ দশমিক ৬ কিলোমিটার এবং নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার হাজিপাড়া ও চন্দ্রগঞ্জ খালের অতিরিক্ত ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটারসহ মোট ১৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হয়। কাজ শেষে অব্যয়িত ৩৩ লাখ ৩ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়।
রায়পুর উপজেলায় চরমোহনা ও উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের তিনটি খালের ১৫ দশমিক ২২ কিলোমিটার পুনঃখনন প্রকল্পে ৩ কোটি ৯১ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭৯ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে প্রায় ৬৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
রামগঞ্জ উপজেলার লামচর ইউনিয়নের করিমের খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা বরাদ্দ থেকে ৩৮ লাখ ৪০ হাজার ৯১০ টাকা, কমলনগর উপজেলার দুইটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ২ কোটি ৪২ লাখ ১২ হাজার ১৬৭ টাকা বরাদ্দ থেকে ৩৮ লাখ ২৬ হাজার ৩৯ টাকা এবং রামগতি উপজেলার আলেকজেন্ডার খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ৩০ লাখ ৯৪ হাজার ১১৭ টাকা বরাদ্দ থেকে ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪২১ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, “সরকারি অর্থ অপচয় না করে যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের টাকার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এ উদ্যোগ সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।”
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “১০০ শতাংশ ডিজাইন অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর অব্যয়িত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।”
সরকারি অর্থের সাশ্রয় ও মানসম্মত প্রকল্প বাস্তবায়নের এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও উপজেলা প্রশাসনের এ কার্যক্রমের প্রশংসা করে বিভিন্ন পোস্ট দেওয়া হচ্ছে।