চব্বিশের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরই ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। এর দেড় বছর পর বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। আগামী সোম বা মঙ্গলবার নতুন সরকারের শপথগ্রহণ। আর এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল।
বুধবার তিনি কর্মব্যস্ত সময় কাটান।
দায়িত্ব শেষে তিনি আবার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেবেন। কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে মার্চ মাসে কাজে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
উপদেষ্টা পদ থেকে সরে গিয়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় ফিরবেন। পাশাপাশি গবেষণা ও লেখালেখিতে মনোযোগ দেবেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন
দায়িত্ব শেষে কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে তিনি আবার লেখালেখিতে ফিরবেন।
ভূমি ও খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার
সরকারি দায়িত্ব শেষে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও গণমাধ্যমে সক্রিয় থাকবেন। আগের মতোই কলাম লেখায় ফিরবেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
সরকারি গাড়ি ফেরত দিচ্ছেন এবং নতুন ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন। রমজান মাসে ইবাদতে সময় দেওয়ার পাশাপাশি পরে লেখালেখি ও বই পড়ায় ফিরবেন।
পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
দায়িত্ব শেষে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) কাজে পুনরায় যুক্ত হবেন।
সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ
দায়িত্ব শেষে কিছুদিন নিরিবিলি সময় কাটানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি উপদেষ্টা হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখবেন এবং মানবাধিকার ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকবেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা দায়িত্ব শেষে মূলত নিজ নিজ পেশা, গবেষণা, লেখালেখি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। কেউ শিক্ষাঙ্গনে, কেউ নাগরিক সমাজে, কেউ বা ব্যক্তিগত ও আধ্যাত্মিক জীবনে মনোযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।











