ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমস্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার মাধ্যমে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। একটি চক্র দেশ-বিদেশে অবস্থান করে এই ব্যবসা পরিচালনা করছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তৃণমূল থেকে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের কেউ জড়িত থাকলেও তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।
আজ রবিবার (২৪ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় টঙ্গীর মধুমিতা রোডের অগ্রণী টাওয়ারে র্যাবের ভিওআইপি বিরোধী চলমান অভিযান পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দুই দিনব্যাপী অব্যাহত অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ মূলহোতা ও তার সহযোগীকে আটক করেছে র্যাব।
যেকোনো মূল্যে এই অবৈধ ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে ভিশন ২০৪১-এ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সবাইকে কাজ করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পর র্যাব সদর দপ্তরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন চলমান অভিযানের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার থেকে টঙ্গীর মধুমিতা রোডের অগ্রণী টাওয়ারের ১২ তলায় অভিযান চলছে। এই পর্যন্ত অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামের সঙ্গে ৩২টি সিম ব্লক ও সাড়ে ১১ হাজারের অধিক বিভিন্ন কম্পানির সিম পাওয়া যায়। এ সময় মূলহোতা তাজুল ইসলাম ও সিম সরবরাহকারী হারুন অর রশীদকে আটক করা হয়েছে। অগ্রণী টাওয়ারের আশপাশে একাধিক ভবনে এ ধরনের অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সন্ধান পাওয়া গেছে।
এতে প্রতিদিন তাদের আয় হতো লক্ষাধিক টাকা। গতকাল বন্ধ থাকার পরও ৭০ হাজার ফোন কল এসেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, এই ভবনের আশপাশে আরো ভিওআইপি সেটআপ থাকতে পারে। তাই অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২০১৮ সালে টঙ্গী এলাকার জনৈক এক প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে সখ্যের মাধ্যমে মধুমিতা অগ্রণী টাওয়ারের ১২তলায় তিনটি ফ্ল্যাট ক্রয় করে এই ব্যবসা শুরু করেন তাজুল ইসলাম। আটক হারুন অর রশীদ ৬৫ টাকা করে বিভিন্ন কম্পানির সিম ক্রয় করে তাজুল ইসলামকে ৭২ থেকে ৭৫ টাকায় সরবরাহ করত। তবে হারুন অর রশীদ ৭ থেকে ১০ টাকার মধ্যেও সিম ক্রয় করতে পারত বলেও জানান তিনি।











