Dhaka ১১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাজিলকে ফাঁদে ফেলতে পিএসজির যে কৌশল ধার করেছিল মরক্কো

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ০৯:১৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • 3

--সংগৃহীত ছবি

স্পোর্টস ডেস্কঃ

ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে একটি অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেল। কিক-অফের পরপরই বলটি ইচ্ছা করে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিল মরক্কো। তবে এটি কোনো ভুল ছিল না। এটি একটি পরিকল্পিত কৌশল, যা ইউরোপিয়ান ফুটবলে অনেক দল এখন ব্যবহার করছে।

এই কৌশলের মূল ধারণা হলো ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষকে বল দিয়ে দেওয়া এবং তারপর হাইপ্রেস করা। যে দল ভালো প্রেসিং করতে পারে এবং হাই ডিফেন্সিভ লাইনে খেলতে পছন্দ করে, তাদের জন্য এই কৌশল কাজে আসে। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নিজের অর্ধে পাসের বিনিময় করতে বাধ্য করা যায়।

গ্রুপো গ্লোবোর ধারাভাষ্যকার রদ্রিগো কুতিনিও এই কৌশলের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এটা আরও সহজে সুযোগ তৈরির চেষ্টা। যদি আপনি টাইট ডিফেন্সের বিপক্ষে বল পায়ে রেখে খেলেন, তাহলে ২৫-৩০ মিটার জায়গায় দশজন খেলোয়াড় এবং গোলরক্ষক থাকবে। সেখানে সুযোগ তৈরি করা অনেক কঠিন। যখন আপনি বল ছেড়ে দিয়ে প্রেস করতে থাকেন, তখন একটা বিপরীত পরিস্থিতি তৈরি হয়।’

এই কৌশল পিএসজি এবং আর্সেনালের মতো বড় ক্লাবও ব্যবহার করে থাকে। তবে ব্রাজিলের বিপক্ষে মরক্কোর এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে আসেনি।

ইবানেজ খুব দ্রুত থ্রো-ইন নেওয়ায় মরক্কোর আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা সেখানে পৌঁছাতে পারেননি। মার্কিনিওস বল সামনে পাঠিয়ে দেন এবং ওই পরিস্থিতি থেকে ব্রাজিলকে তেমন কোনো বিপদে পড়তে হয়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

ব্রাজিলকে ফাঁদে ফেলতে পিএসজির যে কৌশল ধার করেছিল মরক্কো

আপডেট এর সময় : ০৯:১৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্কঃ

ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে একটি অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেল। কিক-অফের পরপরই বলটি ইচ্ছা করে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিল মরক্কো। তবে এটি কোনো ভুল ছিল না। এটি একটি পরিকল্পিত কৌশল, যা ইউরোপিয়ান ফুটবলে অনেক দল এখন ব্যবহার করছে।

এই কৌশলের মূল ধারণা হলো ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষকে বল দিয়ে দেওয়া এবং তারপর হাইপ্রেস করা। যে দল ভালো প্রেসিং করতে পারে এবং হাই ডিফেন্সিভ লাইনে খেলতে পছন্দ করে, তাদের জন্য এই কৌশল কাজে আসে। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে নিজের অর্ধে পাসের বিনিময় করতে বাধ্য করা যায়।

গ্রুপো গ্লোবোর ধারাভাষ্যকার রদ্রিগো কুতিনিও এই কৌশলের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এটা আরও সহজে সুযোগ তৈরির চেষ্টা। যদি আপনি টাইট ডিফেন্সের বিপক্ষে বল পায়ে রেখে খেলেন, তাহলে ২৫-৩০ মিটার জায়গায় দশজন খেলোয়াড় এবং গোলরক্ষক থাকবে। সেখানে সুযোগ তৈরি করা অনেক কঠিন। যখন আপনি বল ছেড়ে দিয়ে প্রেস করতে থাকেন, তখন একটা বিপরীত পরিস্থিতি তৈরি হয়।’

এই কৌশল পিএসজি এবং আর্সেনালের মতো বড় ক্লাবও ব্যবহার করে থাকে। তবে ব্রাজিলের বিপক্ষে মরক্কোর এই পরিকল্পনা পুরোপুরি কাজে আসেনি।

ইবানেজ খুব দ্রুত থ্রো-ইন নেওয়ায় মরক্কোর আক্রমণভাগের খেলোয়াড়রা সেখানে পৌঁছাতে পারেননি। মার্কিনিওস বল সামনে পাঠিয়ে দেন এবং ওই পরিস্থিতি থেকে ব্রাজিলকে তেমন কোনো বিপদে পড়তে হয়নি।