Dhaka ০৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজি প্রেসের কয়েকজনকে সন্দেহে রেখে চলছে তথ্য সংগ্রহ

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ০৫:৪৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪
  • 1

--সংগৃহীত ছবি

অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে বিজি প্রেসের সদস্যদের যোগসূত্রও খোঁজা হচ্ছে। তাঁদের বেশ কয়েকজনকে সন্দেহে রেখে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির ভাষ্য, পিএসসির প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে বিজি প্রেসের অনেকে জড়িত থাকতে পারেন। তাঁদের মধ্যে পিএসসির এক সময়ের গাড়িচালক আবেদ আলীর লোকও থাকতে পারে।

গোয়েন্দা সূত্র বলছে, বিজি প্রেসের পক্ষ থেকে ওই সময় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে জানতে চাওয়া হয়, প্রশ্ন ফাঁস বন্ধের উপায় কী? তখন এ থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়, যেহেতু বিজি প্রেস খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই এখানে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ৬১ জন পুলিশ সদস্য রাখা যেতে পারে। তাঁরা নিরাপত্তার কাজটি করবেন। কিন্তু পরে তা আর বাস্তবায়ন করা হয়নি।

সিআইডি সূত্র বলছে, এ পর্যন্ত পিএসসির যত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, সেগুলোর নেতৃত্ব দিয়েছেন ভেতরের কর্মকর্তারা।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফাঁস করা প্রশ্ন গণহারে না ছেড়ে তা বিক্রি করত পিএসসির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মাধ্যমে আবেদ আলী চক্র। এরা নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন দিত। প্রশ্নগুলো যেন বাইরে না যায়, সে জন্য বাসা ভাড়া করে প্রার্থীদের তিন-চার দিন ধরে প্রশ্নোত্তর মুখস্থ করিয়ে পরীক্ষার হলে পাঠাত।

অধরা এজাহারভুক্ত ১৪ জন

মামলার এজাহারভুক্ত ১৪ জন এখনো অধরা রয়েছেন। তাঁদের গ্রেপ্তার করতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

পিএসসির সাবেক সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র রায়সহ পলাতক এসব সদস্যের মধ্যে রয়েছেন মো. শরীফুল ইসলাম, দীপক বণিক, খোরশেদ আলম খোকন, কাজী মো. সুমন, এ কে এম গোলাম পারভেজ, মেহেদী হাসান খান, গোলাম হামিদুর রহমান, মিজানুর রহমান, আতিকুল ইসলাম, এ টি এম মোস্তফা, মাহফুজ কালু, আসলাম ও কৌশিক দেবনাথ।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আজাদুর রহমান বলেন, বিসিএসের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন ১৭ জন। তাঁদের মধ্যে জবানবন্দি দিয়েছেন ছয়জন। তাঁদের বক্তব্য ও জবানবন্দিতে উঠে এসেছে প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত অনেকের নাম।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

বিজি প্রেসের কয়েকজনকে সন্দেহে রেখে চলছে তথ্য সংগ্রহ

আপডেট এর সময় : ০৫:৪৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪
অনলাইন ডেস্কঃ

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে বিজি প্রেসের সদস্যদের যোগসূত্রও খোঁজা হচ্ছে। তাঁদের বেশ কয়েকজনকে সন্দেহে রেখে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সিআইডির ভাষ্য, পিএসসির প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে বিজি প্রেসের অনেকে জড়িত থাকতে পারেন। তাঁদের মধ্যে পিএসসির এক সময়ের গাড়িচালক আবেদ আলীর লোকও থাকতে পারে।

গোয়েন্দা সূত্র বলছে, বিজি প্রেসের পক্ষ থেকে ওই সময় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে জানতে চাওয়া হয়, প্রশ্ন ফাঁস বন্ধের উপায় কী? তখন এ থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়, যেহেতু বিজি প্রেস খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই এখানে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ৬১ জন পুলিশ সদস্য রাখা যেতে পারে। তাঁরা নিরাপত্তার কাজটি করবেন। কিন্তু পরে তা আর বাস্তবায়ন করা হয়নি।

সিআইডি সূত্র বলছে, এ পর্যন্ত পিএসসির যত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, সেগুলোর নেতৃত্ব দিয়েছেন ভেতরের কর্মকর্তারা।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফাঁস করা প্রশ্ন গণহারে না ছেড়ে তা বিক্রি করত পিএসসির তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মাধ্যমে আবেদ আলী চক্র। এরা নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে ২০ থেকে ৫০ লাখ টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন দিত। প্রশ্নগুলো যেন বাইরে না যায়, সে জন্য বাসা ভাড়া করে প্রার্থীদের তিন-চার দিন ধরে প্রশ্নোত্তর মুখস্থ করিয়ে পরীক্ষার হলে পাঠাত।

অধরা এজাহারভুক্ত ১৪ জন

মামলার এজাহারভুক্ত ১৪ জন এখনো অধরা রয়েছেন। তাঁদের গ্রেপ্তার করতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

পিএসসির সাবেক সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র রায়সহ পলাতক এসব সদস্যের মধ্যে রয়েছেন মো. শরীফুল ইসলাম, দীপক বণিক, খোরশেদ আলম খোকন, কাজী মো. সুমন, এ কে এম গোলাম পারভেজ, মেহেদী হাসান খান, গোলাম হামিদুর রহমান, মিজানুর রহমান, আতিকুল ইসলাম, এ টি এম মোস্তফা, মাহফুজ কালু, আসলাম ও কৌশিক দেবনাথ।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আজাদুর রহমান বলেন, বিসিএসের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়েছেন ১৭ জন। তাঁদের মধ্যে জবানবন্দি দিয়েছেন ছয়জন। তাঁদের বক্তব্য ও জবানবন্দিতে উঠে এসেছে প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত অনেকের নাম।