Dhaka ১২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরল মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১২:২৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪
  • 1

--File photo

Online Desk:

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আবার পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন শুরু করেছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকে এখন এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। কারিগরি ত্রুটির কারণে গত ১০ আগস্ট বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি।

দেশের বড় এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে পুরোপুরি উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহরে বড় ঘাটতি তৈরি হয়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) খন্দকার মোকাম্মেল হোসেন বলেন, ‘মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিট পুনরায় চালু হয়েছে। প্রথম ইউনিট গত ১৭ আগস্ট এবং দ্বিতীয় ইউনিট গত ১৯ আগস্ট চালু করা হয়। বর্তমানে দুটি ইউনিট থেকে এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ সরকারি মালিকানায় উৎপাদনে থাকা দেশের সবচেয়ে বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সরকারি প্রতিষ্ঠান কোল পাওয়ার জেনারেশন কম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)। এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলেও দ্বিতীয় ইউনিটটি এখনো পরীক্ষামূলক উৎপাদনে রয়েছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৬ জুন বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার মধ্যে একটি ঋণচুক্তি হয়। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মাতারবাড়ী প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরল মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র

আপডেট এর সময় : ১২:২৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪
Online Desk:

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আবার পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন শুরু করেছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকে এখন এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। কারিগরি ত্রুটির কারণে গত ১০ আগস্ট বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি।

দেশের বড় এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে পুরোপুরি উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহরে বড় ঘাটতি তৈরি হয়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) খন্দকার মোকাম্মেল হোসেন বলেন, ‘মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিট পুনরায় চালু হয়েছে। প্রথম ইউনিট গত ১৭ আগস্ট এবং দ্বিতীয় ইউনিট গত ১৯ আগস্ট চালু করা হয়। বর্তমানে দুটি ইউনিট থেকে এক হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ সরকারি মালিকানায় উৎপাদনে থাকা দেশের সবচেয়ে বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সরকারি প্রতিষ্ঠান কোল পাওয়ার জেনারেশন কম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)। এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলেও দ্বিতীয় ইউনিটটি এখনো পরীক্ষামূলক উৎপাদনে রয়েছে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৬ জুন বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার মধ্যে একটি ঋণচুক্তি হয়। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মাতারবাড়ী প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরুতে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩৫ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা।