Dhaka ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরাজয় নিশ্চিত জেনেও রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদ, নিজেই জানালেন ২ কারণ

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১১:০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • 1

--সাংবাদিক ও উপস্থাপক খালেদ মুহিউদ্দীনের সঙ্গে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম)। সংগৃহীত ছবি।

অনলাইন ডেস্কঃ

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম)। সংসদে সরকারি দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বিএনপির প্রার্থীর জয় প্রায় নিশ্চিত—এমন বাস্তবতার মধ্যেও কেন রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন, তার দুটি কারণ জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি সাংবাদিক ও উপস্থাপক খালেদ মুহিউদ্দীনের ‘ঠিকানা’ টকশোতে অংশ নিয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন অলি আহমদ।

এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।

টকশোতে অলি আহমদকে প্রশ্ন করা হয়, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল থাকায় সংসদে সরকারি দল বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন রয়েছে। ফলে বিএনপির প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে তিনি কেন প্রার্থী হয়েছেন?

জবাবে অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার দুটি কারণ তুলে ধরেন।

১. গণতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রতি সম্মান

অলি আহমদ বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়াকে তিনি সেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন।

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জয় বা পরাজয়ের কথা চিন্তা করতে হবে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিটাকে সম্মান করতে হবে।’

২. ১১ দলীয় জোটের অবস্থান জানান দেওয়া

প্রার্থী হওয়ার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে ১১ দলীয় জোটের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন এলডিপি চেয়ারম্যান।

তিনি জানান, বাংলাদেশের বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে জনসমর্থন ও দল হিসেবে ১১ দলীয় জোট হলো সবচেয়ে বড় জোট।

অলি আহমদ বলেন, ‘আজকে আমরা যদি প্রার্থী না দিতাম, তখন আপনারা সবাই বলতেন যে ১১ দলীয় জোট কেন প্রার্থী দিল না। ১১ দলের কোনো প্রার্থী নাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণকে বলতে চাই যে ১১ দলের প্রার্থী আছে এবং আমরা চাই ১১ দলের চেয়ে বিএনপি যেন একটা ভালো প্রার্থী দেয় এবং সেটা ভালো হবে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

পরাজয় নিশ্চিত জেনেও রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদ, নিজেই জানালেন ২ কারণ

আপডেট এর সময় : ১১:০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

অনলাইন ডেস্কঃ

আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম)। সংসদে সরকারি দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বিএনপির প্রার্থীর জয় প্রায় নিশ্চিত—এমন বাস্তবতার মধ্যেও কেন রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন, তার দুটি কারণ জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি সাংবাদিক ও উপস্থাপক খালেদ মুহিউদ্দীনের ‘ঠিকানা’ টকশোতে অংশ নিয়ে এ বিষয়ে কথা বলেন অলি আহমদ।

এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।

টকশোতে অলি আহমদকে প্রশ্ন করা হয়, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল থাকায় সংসদে সরকারি দল বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন রয়েছে। ফলে বিএনপির প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে তিনি কেন প্রার্থী হয়েছেন?

জবাবে অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার দুটি কারণ তুলে ধরেন।

১. গণতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রতি সম্মান

অলি আহমদ বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়াকে তিনি সেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন।

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জয় বা পরাজয়ের কথা চিন্তা করতে হবে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিটাকে সম্মান করতে হবে।’

২. ১১ দলীয় জোটের অবস্থান জানান দেওয়া

প্রার্থী হওয়ার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে ১১ দলীয় জোটের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন এলডিপি চেয়ারম্যান।

তিনি জানান, বাংলাদেশের বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে জনসমর্থন ও দল হিসেবে ১১ দলীয় জোট হলো সবচেয়ে বড় জোট।

অলি আহমদ বলেন, ‘আজকে আমরা যদি প্রার্থী না দিতাম, তখন আপনারা সবাই বলতেন যে ১১ দলীয় জোট কেন প্রার্থী দিল না। ১১ দলের কোনো প্রার্থী নাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণকে বলতে চাই যে ১১ দলের প্রার্থী আছে এবং আমরা চাই ১১ দলের চেয়ে বিএনপি যেন একটা ভালো প্রার্থী দেয় এবং সেটা ভালো হবে।’