Dhaka ১১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন করার সুযোগ নেই’-আইনমন্ত্রী

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১০:২৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ জানুয়ারী ২০২২
  • 2

অনলাইন ডেস্ক:

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আইন করার সুযোগ নেই। আইন হবে না এই কথা তো আমি বলিনি। আমি বলেছি, এই আইনটা হবে। এই আইনটা এমন একটা আইন হওয়া উচিত, যেটা গ্রহণযোগ্য হবে সবার কাছে। শুধু এক দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হলে তো এটা সর্বজনীন আইন হলো না। সে ক্ষেত্রে আমি মনে করি, আইন হবে। কিন্তু এই যে কমিশন, তা সংলাপের ওপর নির্ভর করবে। দেখা যাক কী হয়।’

আজ রবিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের কাছে এখন চ্যালেঞ্জ হলো জনগণের সেবা করা। এটাই এত বছরে করে আসছে সরকার। পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ হলে যারা জনগণের সেবা করেছে, তাদেরই আবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে মানুষ। যারা নিজেদের সেবা নিয়ে ব্যস্ত ছিল, তাদের নির্বাচিত করবে না।’

‘নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সংলাপ ব্যর্থ হবে’- অনেকেই এমনটা দাবি করছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের বলব, এই সংলাপ ব্যর্থ হচ্ছে নাকি সফল হচ্ছে, তা সংলাপ শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি কী পদক্ষেপ নেন সেটা দেখার পর আপনারা বুঝবেন। সেই পর্যন্ত আপনাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ প্রসঙ্গেও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে না বলা দেওয়া হয়েছে আইন মন্ত্রণালয় থেকে। কারণ এর আইনি কোনো সুযোগ নেই। এখন বাকিটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

‘নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন করার সুযোগ নেই’-আইনমন্ত্রী

আপডেট এর সময় : ১০:২৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ জানুয়ারী ২০২২

অনলাইন ডেস্ক:

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আইন করার সুযোগ নেই। আইন হবে না এই কথা তো আমি বলিনি। আমি বলেছি, এই আইনটা হবে। এই আইনটা এমন একটা আইন হওয়া উচিত, যেটা গ্রহণযোগ্য হবে সবার কাছে। শুধু এক দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হলে তো এটা সর্বজনীন আইন হলো না। সে ক্ষেত্রে আমি মনে করি, আইন হবে। কিন্তু এই যে কমিশন, তা সংলাপের ওপর নির্ভর করবে। দেখা যাক কী হয়।’

আজ রবিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের কাছে এখন চ্যালেঞ্জ হলো জনগণের সেবা করা। এটাই এত বছরে করে আসছে সরকার। পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ হলে যারা জনগণের সেবা করেছে, তাদেরই আবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে মানুষ। যারা নিজেদের সেবা নিয়ে ব্যস্ত ছিল, তাদের নির্বাচিত করবে না।’

‘নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সংলাপ ব্যর্থ হবে’- অনেকেই এমনটা দাবি করছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের বলব, এই সংলাপ ব্যর্থ হচ্ছে নাকি সফল হচ্ছে, তা সংলাপ শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতি কী পদক্ষেপ নেন সেটা দেখার পর আপনারা বুঝবেন। সেই পর্যন্ত আপনাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ প্রসঙ্গেও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে না বলা দেওয়া হয়েছে আইন মন্ত্রণালয় থেকে। কারণ এর আইনি কোনো সুযোগ নেই। এখন বাকিটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে।’