Dhaka ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ দরকার নেই : নির্বাচন সংস্কার কমিশন

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১০:৩৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪
  • 2

--সংগৃহীত ছবি

অনলাইন ডেস্কঃ

নির্বাচন সংস্কার বিষয়ক কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, কমিশন ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই সংস্কারের সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেবে। এ ক্ষেত্রে অংশীজনের সুস্পষ্ট মতামত নিলেও কোনো সংলাপে বসার দরকার নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে কমিশনের ১২তম বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সংস্কার কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসবে কি না—এই প্রশ্নে বদিউল আলম বলেন, ‘আমাদের কাজটা হলো সম্পূর্ণ কারিগরি।

আমরা তাদের কাছ থেকে সুস্পষ্ট মতামত, প্রস্তাব নেব।’

দলগুলোর সঙ্গে কমিশন না বসলে তারা কিভাবে মতামত দেবে—এমন প্রশ্নে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আমার মনে হয় না বসার দরকার আছে। এখানে সুস্পষ্ট ধারণাগুলো দরকার। আমরা জেনারেল স্টেটমেন্ট চাই না; সুস্পষ্ট মতামত চাই।
দলগুলোর অভিজ্ঞতা বেশি। কাজেই সুস্পষ্ট মতামত পেতে চাই। সাধারণ বক্তব্য তো আমরা সবাই জানি।’আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের নয়। নির্বাচনব্যবস্থা বা নির্বাচন কার্যক্রম সুন্দরভাবে করার জন্য আমাদের কাজ হলো কিছু সুপারিশ করা।

সংস্কার কমিশন নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটি সংক্রান্ত আইন সংস্কারের প্রস্তাব দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তার আগেই বিদ্যমান আইনেই সার্চ কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি সামনে আনলে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘বর্তমানে দ্রুত নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন গঠন করার জন্য সরকার এ সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। সার্চ কমিটি তার নিজস্ব গতিতে কাজ করবে এবং আমরা আমাদের মতো কাজ করব। আমরা যে প্রস্তাবগুলো দেব, সেগুলো কিছু বাস্তবায়ন করবে সরকার এবং কিছু করবে নির্বাচন কমিশন। তাই সার্চ কমিটির সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা নেই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত ১২টি সভা করেছি। এগুলো ফরমাল। ইনফরমালি আরো আলাপ-আলোচনা করেছি। অনেক আইন, বিধি-বিধান পর্যালোচনা করছি। এর ভিত্তিতে আমরা যে ইস্যুগুলো চিহ্নিত করব, তার ভিত্তিতে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেব। মতামত নেওয়ার পর আমরা সরকারকে সুপারিশ করার জন্য প্রস্তুত হব। প্রবাসী ভোটাররা যেন ভোট দিতে পারেন, সে বিষয়েও আমরা আলোচনা করেছি।’

এদিকে এর আগে সংস্কার কমিশনের ১১টি বৈঠক হলেও গতকালের ১২তম বৈঠকে যোগ দেন কমিশনের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিকা আরমান কমিশনের সদস্য হওয়ায় তাঁকে ধন্যবাদ জানান বদিউল আলম মজুমদার।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. তোফায়েল আহমেদ, জেসমিন টুলী, ড. মো. আব্দুল আলীম, জাহেদ উর রহমান, মীর নাদিয়া নিভিন, মোহাম্মদ সাদেক ফেরদৌস, ইসির সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ দরকার নেই : নির্বাচন সংস্কার কমিশন

আপডেট এর সময় : ১০:৩৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪
অনলাইন ডেস্কঃ

নির্বাচন সংস্কার বিষয়ক কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, কমিশন ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই সংস্কারের সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেবে। এ ক্ষেত্রে অংশীজনের সুস্পষ্ট মতামত নিলেও কোনো সংলাপে বসার দরকার নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে কমিশনের ১২তম বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই মন্তব্য করেন।

সংস্কার কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসবে কি না—এই প্রশ্নে বদিউল আলম বলেন, ‘আমাদের কাজটা হলো সম্পূর্ণ কারিগরি।

আমরা তাদের কাছ থেকে সুস্পষ্ট মতামত, প্রস্তাব নেব।’

দলগুলোর সঙ্গে কমিশন না বসলে তারা কিভাবে মতামত দেবে—এমন প্রশ্নে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আমার মনে হয় না বসার দরকার আছে। এখানে সুস্পষ্ট ধারণাগুলো দরকার। আমরা জেনারেল স্টেটমেন্ট চাই না; সুস্পষ্ট মতামত চাই।
দলগুলোর অভিজ্ঞতা বেশি। কাজেই সুস্পষ্ট মতামত পেতে চাই। সাধারণ বক্তব্য তো আমরা সবাই জানি।’আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের নয়। নির্বাচনব্যবস্থা বা নির্বাচন কার্যক্রম সুন্দরভাবে করার জন্য আমাদের কাজ হলো কিছু সুপারিশ করা।

সংস্কার কমিশন নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটি সংক্রান্ত আইন সংস্কারের প্রস্তাব দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তার আগেই বিদ্যমান আইনেই সার্চ কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি সামনে আনলে ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘বর্তমানে দ্রুত নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন গঠন করার জন্য সরকার এ সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। সার্চ কমিটি তার নিজস্ব গতিতে কাজ করবে এবং আমরা আমাদের মতো কাজ করব। আমরা যে প্রস্তাবগুলো দেব, সেগুলো কিছু বাস্তবায়ন করবে সরকার এবং কিছু করবে নির্বাচন কমিশন। তাই সার্চ কমিটির সঙ্গে আমাদের সম্পৃক্ততা নেই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত ১২টি সভা করেছি। এগুলো ফরমাল। ইনফরমালি আরো আলাপ-আলোচনা করেছি। অনেক আইন, বিধি-বিধান পর্যালোচনা করছি। এর ভিত্তিতে আমরা যে ইস্যুগুলো চিহ্নিত করব, তার ভিত্তিতে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেব। মতামত নেওয়ার পর আমরা সরকারকে সুপারিশ করার জন্য প্রস্তুত হব। প্রবাসী ভোটাররা যেন ভোট দিতে পারেন, সে বিষয়েও আমরা আলোচনা করেছি।’

এদিকে এর আগে সংস্কার কমিশনের ১১টি বৈঠক হলেও গতকালের ১২তম বৈঠকে যোগ দেন কমিশনের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিকা আরমান কমিশনের সদস্য হওয়ায় তাঁকে ধন্যবাদ জানান বদিউল আলম মজুমদার।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. তোফায়েল আহমেদ, জেসমিন টুলী, ড. মো. আব্দুল আলীম, জাহেদ উর রহমান, মীর নাদিয়া নিভিন, মোহাম্মদ সাদেক ফেরদৌস, ইসির সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন।