Dhaka ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রতি বাউবির উপাচার্যের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১০:৫৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • 1

--প্রেরিত ছবি

মোঃ ইব্রাহীম খলিল
গাজীপুর প্রতিনিধি:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক গত ০৫ জুলাই ২০২৬ (রবিবার) রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান আজ (০৬ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টায় ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা মরহুম অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন দেশের একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষক, প্রজ্ঞাবান বুদ্ধিজীবী, প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক ও গবেষক। শিক্ষা, গবেষণা, সাহিত্য ও সমাজচিন্তায় তাঁর অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর প্রজ্ঞাদীপ্ত চিন্তা, মূল্যবোধনির্ভর লেখনী এবং আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে নিরলস সাধনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক অনন্য উৎস হয়ে থাকবে”। উপাচার্য আরও বলেন, “অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন দেশের একজন কীর্তিমান সন্তান, আদর্শনিষ্ঠ শিক্ষক ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ। তাঁর সঙ্গে আমার প্রায় ৩৫ বছরের আন্তরিক সম্পর্ক ছিল। সর্বশেষ গত ২৮ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানোর সুযোগ হয়। সেদিন তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, সেই ইচ্ছা আর বাস্তবায়িত হলো না”. স্মৃতিচারণ করে উপাচার্য বলেন, “তাঁর সঙ্গে প্রতিটি আলোচনায় ব্যক্তিগত বিষয়ের চেয়ে দেশ, জাতি, সমাজের অগ্রগতি এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের বিষয়ই অধিক প্রাধান্য পেত। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কখনো তাঁর আদর্শ, নীতি ও জীবনদর্শন থেকে বিচ্যুত হননি। কর্ম, চিন্তা ও আদর্শের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন এবং আগামী প্রজন্মকে আলোকিত ও অনুপ্রাণিত করবেন”।
উপাচার্য মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও চিরশান্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তিনি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের আদর্শ, মূল্যবোধ ও কর্মধারাকে ধারণ করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে আত্মনিয়োগের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রতি বাউবির উপাচার্যের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন

আপডেট এর সময় : ১০:৫৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
মোঃ ইব্রাহীম খলিল
গাজীপুর প্রতিনিধি:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক গত ০৫ জুলাই ২০২৬ (রবিবার) রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান আজ (০৬ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টায় ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা মরহুম অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন দেশের একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষক, প্রজ্ঞাবান বুদ্ধিজীবী, প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক ও গবেষক। শিক্ষা, গবেষণা, সাহিত্য ও সমাজচিন্তায় তাঁর অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর প্রজ্ঞাদীপ্ত চিন্তা, মূল্যবোধনির্ভর লেখনী এবং আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে নিরলস সাধনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক অনন্য উৎস হয়ে থাকবে”। উপাচার্য আরও বলেন, “অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন দেশের একজন কীর্তিমান সন্তান, আদর্শনিষ্ঠ শিক্ষক ও দূরদর্শী চিন্তাবিদ। তাঁর সঙ্গে আমার প্রায় ৩৫ বছরের আন্তরিক সম্পর্ক ছিল। সর্বশেষ গত ২৮ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটানোর সুযোগ হয়। সেদিন তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, সেই ইচ্ছা আর বাস্তবায়িত হলো না”. স্মৃতিচারণ করে উপাচার্য বলেন, “তাঁর সঙ্গে প্রতিটি আলোচনায় ব্যক্তিগত বিষয়ের চেয়ে দেশ, জাতি, সমাজের অগ্রগতি এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের বিষয়ই অধিক প্রাধান্য পেত। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কখনো তাঁর আদর্শ, নীতি ও জীবনদর্শন থেকে বিচ্যুত হননি। কর্ম, চিন্তা ও আদর্শের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন এবং আগামী প্রজন্মকে আলোকিত ও অনুপ্রাণিত করবেন”।
উপাচার্য মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও চিরশান্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তিনি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের আদর্শ, মূল্যবোধ ও কর্মধারাকে ধারণ করে দেশ ও সমাজের কল্যাণে আত্মনিয়োগের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।