Dhaka ১১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিলপাড়া মনতলী ব্রিজের বিভিন্ন অংশে খানাখন্দ, দ্রুত সংস্কার না হলে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ০৭:০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২
  • 2
নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের চিলপাড়ায় ২০০৬ সালে ৮৬,১১,১০০ টাকা ব্যায়ে নির্মিত হয় চিলপাড়া মনতলী ব্রিজ, যেটি স্থানীয়দের কাছে চিলপাড়া ব্রিজ নামে বেশি পরিচিত। নাঙ্গলকোটের পাশবর্তী উপজেলা চৌদ্দগ্রামের সাথে ব্রিজটির সংযোগ রয়েছে, যার ফলে দুই উপজেলার মানুষের যাতায়াত ও ভারী যান চলাচলের পথ হিসেবে ব্যবহার হয় ব্রিজটি।
সম্প্রতি ব্রিজটির বিভিন্ন অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন দ্রুত সংস্কার না হলে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা, সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ব্রিজের রেলিং থেকে বালু সিমেন্ট উঠে গিয়ে দেখা যাচ্ছে ভিতরে থাকা রড, কিছু অংশে দেখা দিয়েছে ফাটল, সৃষ্টি হয়েছে ছোট বড় কিছু গর্তের, এছাড়াও ব্রিজের মাঝখানে বসানো লোহার কয়েকটি প্লেট তুলে নিয়েছে দূর্বত্তরা।
প্রতি বর্ষা মৌসুমে ব্রিজটিকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে স্বজন প্রিয়জন, বন্ধুবান্ধব সহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ দলবেঁধে ঘুরতে আসেন এখানে। উপভোগ করেন গোধুলি মাখা বিকালের অপরূপ সৌন্দর্য, তাই স্থানীয়রা সহ সচেতন মহলের দাবি যাতে অতি দ্রুত  সময়ের মধ্যে ব্রিজটির সংস্থার কাজ করা হয়।
ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

চিলপাড়া মনতলী ব্রিজের বিভিন্ন অংশে খানাখন্দ, দ্রুত সংস্কার না হলে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা

আপডেট এর সময় : ০৭:০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ ২০২২
নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের চিলপাড়ায় ২০০৬ সালে ৮৬,১১,১০০ টাকা ব্যায়ে নির্মিত হয় চিলপাড়া মনতলী ব্রিজ, যেটি স্থানীয়দের কাছে চিলপাড়া ব্রিজ নামে বেশি পরিচিত। নাঙ্গলকোটের পাশবর্তী উপজেলা চৌদ্দগ্রামের সাথে ব্রিজটির সংযোগ রয়েছে, যার ফলে দুই উপজেলার মানুষের যাতায়াত ও ভারী যান চলাচলের পথ হিসেবে ব্যবহার হয় ব্রিজটি।
সম্প্রতি ব্রিজটির বিভিন্ন অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন দ্রুত সংস্কার না হলে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা, সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ব্রিজের রেলিং থেকে বালু সিমেন্ট উঠে গিয়ে দেখা যাচ্ছে ভিতরে থাকা রড, কিছু অংশে দেখা দিয়েছে ফাটল, সৃষ্টি হয়েছে ছোট বড় কিছু গর্তের, এছাড়াও ব্রিজের মাঝখানে বসানো লোহার কয়েকটি প্লেট তুলে নিয়েছে দূর্বত্তরা।
প্রতি বর্ষা মৌসুমে ব্রিজটিকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে স্বজন প্রিয়জন, বন্ধুবান্ধব সহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ দলবেঁধে ঘুরতে আসেন এখানে। উপভোগ করেন গোধুলি মাখা বিকালের অপরূপ সৌন্দর্য, তাই স্থানীয়রা সহ সচেতন মহলের দাবি যাতে অতি দ্রুত  সময়ের মধ্যে ব্রিজটির সংস্থার কাজ করা হয়।