Dhaka ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিন্ময় কৃষ্ণকে নিয়ে শেখ হাসিনার বিবৃতি

--সংগৃহীত ছবি

অনলাইন ডেস্কঃ
ইসকনের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তি ও সব সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত দাবি করে বিবৃতি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এতে শেখ হাসিনা বলেন, ‘চট্টগ্রামে একজন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়েছে, এই হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত শাস্তি দিতে হবে।
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। একজন আইনজীবী তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিল, আর তাকে এভাবে যারা পিটিয়ে হত্যা করেছে তারা সন্ত্রাসী। তারা যে-ই হোক না কেন শাস্তি তাদের পেতেই হবে।’

 
তিনি বলেন, অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী ড. ইউনূস সরকার যদি এই সন্ত্রাসীদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে তাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
দেশবাসীর প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি, এই ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ান। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।বিবৃতিতে শেখ হাসিনা আরো বলেন, বর্তমান ক্ষমতা দখলকারীরা সর্বক্ষেত্রেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে চলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব‍্যমূল‍্য নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ, মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতেও ব্যর্থ।
সাধারণ মানুষের ওপরে প্রত‍্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এসব নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানাই। সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের একজন শীর্ষ নেতাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, অবিলম্বে তাকে মুক্তি দিতে হবে।চট্টগ্রামে মন্দির পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দাবি করে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা বলেন, ইতিপূর্বে মসজিদ, মাজার, গির্জা, মঠ এবং আহমাদিয়া সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি আক্রমণ করে ভাঙচুর ও লুটপাট করে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সব সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।তিনি আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী, ছাত্র-জনতা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করার পরে হামলা-মামলা ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে হয়রানি চলছেই।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Syed Enamul Huq

Popular Post

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

চিন্ময় কৃষ্ণকে নিয়ে শেখ হাসিনার বিবৃতি

Update Time : ১২:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪
অনলাইন ডেস্কঃ
ইসকনের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তি ও সব সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত দাবি করে বিবৃতি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এতে শেখ হাসিনা বলেন, ‘চট্টগ্রামে একজন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়েছে, এই হত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে দ্রুত শাস্তি দিতে হবে।
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। একজন আইনজীবী তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিল, আর তাকে এভাবে যারা পিটিয়ে হত্যা করেছে তারা সন্ত্রাসী। তারা যে-ই হোক না কেন শাস্তি তাদের পেতেই হবে।’

 
তিনি বলেন, অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী ড. ইউনূস সরকার যদি এই সন্ত্রাসীদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে তাকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
দেশবাসীর প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি, এই ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ান। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।বিবৃতিতে শেখ হাসিনা আরো বলেন, বর্তমান ক্ষমতা দখলকারীরা সর্বক্ষেত্রেই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে চলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব‍্যমূল‍্য নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ, মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতেও ব্যর্থ।
সাধারণ মানুষের ওপরে প্রত‍্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এসব নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানাই। সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের একজন শীর্ষ নেতাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, অবিলম্বে তাকে মুক্তি দিতে হবে।চট্টগ্রামে মন্দির পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দাবি করে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা বলেন, ইতিপূর্বে মসজিদ, মাজার, গির্জা, মঠ এবং আহমাদিয়া সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি আক্রমণ করে ভাঙচুর ও লুটপাট করে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সব সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।তিনি আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মী, ছাত্র-জনতা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের হত্যা করার পরে হামলা-মামলা ও গ্রেপ্তারের মাধ্যমে হয়রানি চলছেই।