Dhaka ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতায় গেলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১০:৩৯:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 1

--ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক:

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা একটি ‘অগ্রাধিকার’ এবং বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক সমান, সংখ্যালঘু বলে কিছু নেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।

সংখ্যালঘু ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি এনডিটিভিকে বলেন, ‘আমরা সবাই এ দেশের প্রথম শ্রেণির নাগরিক। আমরা সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগরিষ্ঠ—এ ধরনের বিভাজনে বিশ্বাস করি না। বিষয়টি কেবল ধর্মীয় বিশ্বাসের পার্থক্য হতে পারে, কিন্তু নাগরিক অধিকার সবার জন্য সমান। আমরা সংখ্যালঘু-সংখ্যাগরিষ্ঠ বিভাজনকে স্বীকার করি না।’

এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, ‘ভারত সফর নিয়ে তার কোনো দ্বিধা বা বাধা নেই। নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি পরিষ্কার হলে তিনি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামি রক্ষণশীল দল এবং নির্বাচনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। প্রতিযোগিতা মূলত তাদের এবং তাদের সাবেক মিত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে। জামায়াত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি এবং অন্যান্যদের সঙ্গে জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রক্রিয়াগত ও লজিস্টিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

ক্ষমতায় গেলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত

আপডেট এর সময় : ১০:৩৯:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
অনলাইন ডেস্ক:

ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা একটি ‘অগ্রাধিকার’ এবং বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক সমান, সংখ্যালঘু বলে কিছু নেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।

সংখ্যালঘু ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি এনডিটিভিকে বলেন, ‘আমরা সবাই এ দেশের প্রথম শ্রেণির নাগরিক। আমরা সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগরিষ্ঠ—এ ধরনের বিভাজনে বিশ্বাস করি না। বিষয়টি কেবল ধর্মীয় বিশ্বাসের পার্থক্য হতে পারে, কিন্তু নাগরিক অধিকার সবার জন্য সমান। আমরা সংখ্যালঘু-সংখ্যাগরিষ্ঠ বিভাজনকে স্বীকার করি না।’

এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, ‘ভারত সফর নিয়ে তার কোনো দ্বিধা বা বাধা নেই। নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি পরিষ্কার হলে তিনি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামি রক্ষণশীল দল এবং নির্বাচনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। প্রতিযোগিতা মূলত তাদের এবং তাদের সাবেক মিত্র বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে। জামায়াত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি এবং অন্যান্যদের সঙ্গে জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রক্রিয়াগত ও লজিস্টিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে।