Dhaka ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতার চাবিকাঠি এখন আইআরজিসির হাতে

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ০৫:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
  • 3

যার ইশারায় নড়ে তেহরান, তিনি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী নিরাপত্তা বাহিনী—ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সর্বোচ্চ পরিষদের হাতে যুদ্ধকালীন কর্তৃত্ব হস্তান্তর করেছেন। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে রাজধানী তেহরানের লাভিজানে অবস্থিত একটি বাঙ্কারে খামেনিকে সপরিবারে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর পাশে রয়েছেন ক্ষমতার উত্তরসূরী হিসেবে আলোচিত ছেলে মোজতবা খামেনিও।

এই পদক্ষেপকে বিশেষজ্ঞরা দেখছেন একটি “প্রি-এম্পটিভ ট্রান্সফার অব অথরিটি” হিসেবে—যাতে করে খামেনির অনুপস্থিতিতেও সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। ইসরাইল-ইরান যুদ্ধাবস্থা এর পেছনে বড় প্রেক্ষাপট হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ইসরাইলের টার্গেট করা হামলায় ইরানের সামরিক ও পরমাণু স্থাপনাগুলোতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। জবাবে ইরানও চালাচ্ছে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।

এদিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে খোলাখুলি লিখেছেন, “আমরা জানি ‘সুপ্রিম লিডার’ কোথায় লুকিয়ে আছেন। আপাতত তাঁকে হত্যা করব না, তবে আমাদের ধৈর্য সীমিত।”

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ইসরাইল হামলা বন্ধ না করলে ইরান এর চেয়েও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাবে। তাঁর ভাষ্য, “শান্তি আমরা চাই, কিন্তু সেটা তখনই সম্ভব, যখন জায়নবাদী আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে।”

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের নেতৃত্ব কাঠামোয় বড় রদবদলের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে—যার প্রভাব পড়তে পারে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্যে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

ক্ষমতার চাবিকাঠি এখন আইআরজিসির হাতে

আপডেট এর সময় : ০৫:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী নিরাপত্তা বাহিনী—ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সর্বোচ্চ পরিষদের হাতে যুদ্ধকালীন কর্তৃত্ব হস্তান্তর করেছেন। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে রাজধানী তেহরানের লাভিজানে অবস্থিত একটি বাঙ্কারে খামেনিকে সপরিবারে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর পাশে রয়েছেন ক্ষমতার উত্তরসূরী হিসেবে আলোচিত ছেলে মোজতবা খামেনিও।

এই পদক্ষেপকে বিশেষজ্ঞরা দেখছেন একটি “প্রি-এম্পটিভ ট্রান্সফার অব অথরিটি” হিসেবে—যাতে করে খামেনির অনুপস্থিতিতেও সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। ইসরাইল-ইরান যুদ্ধাবস্থা এর পেছনে বড় প্রেক্ষাপট হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ইসরাইলের টার্গেট করা হামলায় ইরানের সামরিক ও পরমাণু স্থাপনাগুলোতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। জবাবে ইরানও চালাচ্ছে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।

এদিকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে খোলাখুলি লিখেছেন, “আমরা জানি ‘সুপ্রিম লিডার’ কোথায় লুকিয়ে আছেন। আপাতত তাঁকে হত্যা করব না, তবে আমাদের ধৈর্য সীমিত।”

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান হুঁশিয়ার করে বলেছেন, ইসরাইল হামলা বন্ধ না করলে ইরান এর চেয়েও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাবে। তাঁর ভাষ্য, “শান্তি আমরা চাই, কিন্তু সেটা তখনই সম্ভব, যখন জায়নবাদী আগ্রাসন স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে।”

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের নেতৃত্ব কাঠামোয় বড় রদবদলের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে—যার প্রভাব পড়তে পারে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক ভারসাম্যে।