Dhaka ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১১:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • 1

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

নেই পরিবহন , নেই চিকিৎসা সুবিধার ব্যবস্থা, তবুও শিক্ষার্থীদের দিতে হয় এইসব খাতে টাকা। এরকম নানা খাত দেখিয়ে প্রতিবছর কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে এসব টাকা। তবে সে সকল টাকা শিক্ষার্থীদের উন্নয়নের কোন কাজে আসেনা। কোন খাতে, কিভাবে এসব টাকা ব্যয় হয় তাও জানেনা কেউ। অভিযোগ উঠেছে, কলেজের অধ্যক্ষের সাথে কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর যোগসাজশে ভূয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয় এসব টাকা। ১৯৪৭ সালে স্থাপিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কুষ্টিয়ার সরকারি কলেজ। এখানে উচ্চ মাধ্যমিক, অনার্স,মাস্টার্স ও ডিগ্রিসহ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা রয়েছে প্রায় ২১ হাজার। উন্নয়ন ফিস বাবদ প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ওঠে ৭৫ লাখ টাকা, পরিবহন খাত থেকে ওঠে ২০ লাখ, চিকিৎসা খাত থেকে ওঠে ১০ লাখ। এরকম প্রায় ১৮ টি খাত দেখিয়ে প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তোলা হয় কোটি কোটি টাকা। যার কোন দৃশ্যমান কার্যক্রম নেই। ছাত্রদের  টাকায় কল্যাণ হচ্ছে কলেজের কিছু শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমনই অভিযোগ ছাত্রদের।

শুধু এসব খাতই নয় এর বাইরেও নাম মাত্র সংস্কার কাজের খরচ নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শ্রেনী কক্ষের ২ টি রুম সংস্কারে নাম মাত্র কিছু কাজ করা হলেও তাতে প্রকৃতপক্ষে কত টাকা ব্যায় হয়েছে তা জানেন না এই বিভাগের কোন শিক্ষকও। অভিযোগ রয়েছে যে, এ টাকা আত্মসাতে কাজী মনজুর কাদির এবং অধ্যক্ষের নির্দেশে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করেন স্টোর কিপার লুৎফর রহমান। তা দিয়েই তোলা হয় টাকা। তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। এসব অভিযোগের  বিরুদ্ধে অধ্যক্ষ বলছেন, শিক্ষার্থীদের নানা খাতে তোলা টাকা পরিপত্রের বিধান মোতাবেক ব্যায় করা হয়।

শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষা পরিদর্শনের প্রতিবেদনে ২০২০-২১ অর্থ বছরে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজসহ দেশের ৫০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন খাত থেকে টাকা উত্তোলন ও ব্যায়ে অনিয়মের তথ্য চিহ্নিত করে আপত্তি তোলা হয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ এসব অনিয়মের সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ

আপডেট এর সময় : ১১:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:

নেই পরিবহন , নেই চিকিৎসা সুবিধার ব্যবস্থা, তবুও শিক্ষার্থীদের দিতে হয় এইসব খাতে টাকা। এরকম নানা খাত দেখিয়ে প্রতিবছর কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে এসব টাকা। তবে সে সকল টাকা শিক্ষার্থীদের উন্নয়নের কোন কাজে আসেনা। কোন খাতে, কিভাবে এসব টাকা ব্যয় হয় তাও জানেনা কেউ। অভিযোগ উঠেছে, কলেজের অধ্যক্ষের সাথে কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর যোগসাজশে ভূয়া বিল ভাউচার দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয় এসব টাকা। ১৯৪৭ সালে স্থাপিত ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কুষ্টিয়ার সরকারি কলেজ। এখানে উচ্চ মাধ্যমিক, অনার্স,মাস্টার্স ও ডিগ্রিসহ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা রয়েছে প্রায় ২১ হাজার। উন্নয়ন ফিস বাবদ প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ওঠে ৭৫ লাখ টাকা, পরিবহন খাত থেকে ওঠে ২০ লাখ, চিকিৎসা খাত থেকে ওঠে ১০ লাখ। এরকম প্রায় ১৮ টি খাত দেখিয়ে প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তোলা হয় কোটি কোটি টাকা। যার কোন দৃশ্যমান কার্যক্রম নেই। ছাত্রদের  টাকায় কল্যাণ হচ্ছে কলেজের কিছু শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমনই অভিযোগ ছাত্রদের।

শুধু এসব খাতই নয় এর বাইরেও নাম মাত্র সংস্কার কাজের খরচ নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শ্রেনী কক্ষের ২ টি রুম সংস্কারে নাম মাত্র কিছু কাজ করা হলেও তাতে প্রকৃতপক্ষে কত টাকা ব্যায় হয়েছে তা জানেন না এই বিভাগের কোন শিক্ষকও। অভিযোগ রয়েছে যে, এ টাকা আত্মসাতে কাজী মনজুর কাদির এবং অধ্যক্ষের নির্দেশে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করেন স্টোর কিপার লুৎফর রহমান। তা দিয়েই তোলা হয় টাকা। তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। এসব অভিযোগের  বিরুদ্ধে অধ্যক্ষ বলছেন, শিক্ষার্থীদের নানা খাতে তোলা টাকা পরিপত্রের বিধান মোতাবেক ব্যায় করা হয়।

শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষা পরিদর্শনের প্রতিবেদনে ২০২০-২১ অর্থ বছরে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজসহ দেশের ৫০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন খাত থেকে টাকা উত্তোলন ও ব্যায়ে অনিয়মের তথ্য চিহ্নিত করে আপত্তি তোলা হয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ এসব অনিয়মের সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান।