Dhaka ০১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওমিক্রনকে হালকাভাবে নিলে ক্ষতি হয়ে যাবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১২:২৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২
  • 1

অনলাইন ডেস্ক:

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করেছে। বৈশ্বিক ও বেপরোয়া চলাফেরার কারণে এই সংক্রমণ বেড়েছে। ওমিক্রন মৃদু এটা ভেবে হালকাভাবে নিলে তা বড় ক্ষতির কারণ হয়ে যাবে।

আজ মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ওমিক্রনের উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবেলায় বেসরকারি হাসপাতালের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডেলটা ভেরিয়েন্টকে আমরা সফলভাবে মোকাবেলা করেছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক ঘাটতি ছিল। পর্যাপ্ত অক্সিজেন ছিল না, পর্যাপ্ত শয্যা ছিল না, ডাক্তার-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিজ্ঞতা ও মনোবল কম ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা করে আসায় আস্থা, সাহস বেড়ে গেছে। আমরা এখন যেকোনো ঢেউ মোকাবেলা করতে পারি, সে সক্ষমতা আমাদের হয়েছে। ‘

তিনি বলেন, ‘সংক্রমণ ও মৃত্যু কমে আসায় আমরা ধারণা করেছিলাম করোনা এবার বিদায় হবে। কিন্তু তখন আমাদের জনগণের মধ্যে অতিমাত্রায় কনফিডেন্স চলে এসেছিল। মাস্ক ছাড়া চলাচল করেছি, কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানিনি। কক্সবাজার যারা গিয়েছে তারা কেউ মাস্ক পরেনি। ‘

মতবিনিময়সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশিদ আলমসহ দেশের বিভিন্ন মেডিক্যালের প্রতিনিধিরা।

সূত্র: কালের কন্ঠ অনলাইন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

ওমিক্রনকে হালকাভাবে নিলে ক্ষতি হয়ে যাবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট এর সময় : ১২:২৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২

অনলাইন ডেস্ক:

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করেছে। বৈশ্বিক ও বেপরোয়া চলাফেরার কারণে এই সংক্রমণ বেড়েছে। ওমিক্রন মৃদু এটা ভেবে হালকাভাবে নিলে তা বড় ক্ষতির কারণ হয়ে যাবে।

আজ মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ওমিক্রনের উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবেলায় বেসরকারি হাসপাতালের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডেলটা ভেরিয়েন্টকে আমরা সফলভাবে মোকাবেলা করেছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক ঘাটতি ছিল। পর্যাপ্ত অক্সিজেন ছিল না, পর্যাপ্ত শয্যা ছিল না, ডাক্তার-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিজ্ঞতা ও মনোবল কম ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা করে আসায় আস্থা, সাহস বেড়ে গেছে। আমরা এখন যেকোনো ঢেউ মোকাবেলা করতে পারি, সে সক্ষমতা আমাদের হয়েছে। ‘

তিনি বলেন, ‘সংক্রমণ ও মৃত্যু কমে আসায় আমরা ধারণা করেছিলাম করোনা এবার বিদায় হবে। কিন্তু তখন আমাদের জনগণের মধ্যে অতিমাত্রায় কনফিডেন্স চলে এসেছিল। মাস্ক ছাড়া চলাচল করেছি, কেউ স্বাস্থ্যবিধি মানিনি। কক্সবাজার যারা গিয়েছে তারা কেউ মাস্ক পরেনি। ‘

মতবিনিময়সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশিদ আলমসহ দেশের বিভিন্ন মেডিক্যালের প্রতিনিধিরা।

সূত্র: কালের কন্ঠ অনলাইন