Dhaka ০৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষমতাসীনদের গালি দেওয়া কি অপরাধ, প্রশ্ন তাসনিম জারার

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ০১:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 11

--ডা. তাসনিম জারা। ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্কঃ

বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসছে—এমন অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গালিগালাজ করে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন গাজীপুরের সিফাত আব্দুল্লাহ। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গাজীপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

‘সিফাতের ভাষা ভদ্র ছিল না। এটা নিয়ে তর্ক করার কিছু নাই। কিন্তু প্রশ্নটা ভদ্রতার নয়। কারণ সিফাতকে অভদ্রতার জন্য গ্রেফতার করা হয়নি। মামলা দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। তাহলে গালি দেওয়া কি সন্ত্রাস?

দেখলাম যারা এই গ্রেফতারের বিপক্ষে লিখছেন; তাদের কমেন্টবক্সে গালির বন্যা। সঙ্গে বলছেন যে ছেলেটা গালি দিয়েছে, তাই ধরা ঠিক হয়েছে। আয়রনি হলো, তারা নিজেরাই গালি দিয়ে সেটা বলছেন। এবং তাদের কোনো ভয় নাই। কারণ তারা জানেন গালিটা তারা কাকে দিচ্ছেন, আর কাকে দিচ্ছেন না। অর্থাৎ ক্ষমতাসীন কাউকে গালি দিলে সেটা অপরাধ, ক্ষমতায় না থাকা কাউকে দিলে সেটা গ্রহণযোগ্য।

আপনারা একটা তালিকা করে দিন। কী কী লিখলে, কী কী আঁকলে, বিলের কাগজ হাতে নিয়ে কী কী বললে রাত সাড়ে আটটায় দরজায় পুলিশ আসবে না। লিখে দিন। আমরা মেনে চলব। আর যদি তালিকা দিতে অস্বস্তি হয়, ‘দ্য ডিক্টেটর’ সিনেমার আলাদিনের আচরণের মতো মনে হয়, তাহলে নিজেদের সংযত করুন।

সিফাতকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। মামলা প্রত্যাহার করুন। আর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের যে ধারাগুলো কথা বলার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যায়, সেগুলো সংশোধন করুন।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

ক্ষমতাসীনদের গালি দেওয়া কি অপরাধ, প্রশ্ন তাসনিম জারার

আপডেট এর সময় : ০১:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন ডেস্কঃ

বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসছে—এমন অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গালিগালাজ করে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন গাজীপুরের সিফাত আব্দুল্লাহ। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গাজীপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

‘সিফাতের ভাষা ভদ্র ছিল না। এটা নিয়ে তর্ক করার কিছু নাই। কিন্তু প্রশ্নটা ভদ্রতার নয়। কারণ সিফাতকে অভদ্রতার জন্য গ্রেফতার করা হয়নি। মামলা দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। তাহলে গালি দেওয়া কি সন্ত্রাস?

দেখলাম যারা এই গ্রেফতারের বিপক্ষে লিখছেন; তাদের কমেন্টবক্সে গালির বন্যা। সঙ্গে বলছেন যে ছেলেটা গালি দিয়েছে, তাই ধরা ঠিক হয়েছে। আয়রনি হলো, তারা নিজেরাই গালি দিয়ে সেটা বলছেন। এবং তাদের কোনো ভয় নাই। কারণ তারা জানেন গালিটা তারা কাকে দিচ্ছেন, আর কাকে দিচ্ছেন না। অর্থাৎ ক্ষমতাসীন কাউকে গালি দিলে সেটা অপরাধ, ক্ষমতায় না থাকা কাউকে দিলে সেটা গ্রহণযোগ্য।

আপনারা একটা তালিকা করে দিন। কী কী লিখলে, কী কী আঁকলে, বিলের কাগজ হাতে নিয়ে কী কী বললে রাত সাড়ে আটটায় দরজায় পুলিশ আসবে না। লিখে দিন। আমরা মেনে চলব। আর যদি তালিকা দিতে অস্বস্তি হয়, ‘দ্য ডিক্টেটর’ সিনেমার আলাদিনের আচরণের মতো মনে হয়, তাহলে নিজেদের সংযত করুন।

সিফাতকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। মামলা প্রত্যাহার করুন। আর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের যে ধারাগুলো কথা বলার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যায়, সেগুলো সংশোধন করুন।’