Dhaka ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমিকম্পে নিহত বাবা-ছেলের দাফন লক্ষ্মীপুরে সম্পন্ন

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ১১:০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • 2

--প্রেরিত ছবি

মো. রবিউস সানি আকাশ
স্টাফ রিপোর্টার

ভূমিকম্পে রাজধানীর পুরান ঢাকায় একটি ভবনের রেলিং ভেঙে পড়ে ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম (৪৮) ও তার ছেলে মেহেরাব হোসেন রিমন (১২) নিহত হন। লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কবরস্থানে আজ তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের আস সুন্নাহ মাদরাসা ও মসজিদ কমপ্লেক্স মাঠে নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের মরদেহ দাফন করা হয়। এর আগে ভোরে বাবা-ছেলের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে কান্নায় ভেঙে পড়েন আত্মীয়-স্বজন।  পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আব্দুর রহিম রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় কাপড়ের ব্যবসা করতেন। তিনি পুরান ঢাকার সুরিটোলা স্কুলের পেছনে স্ত্রী, ৩ ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে মেজো ছেলে রিমনকে নিয়ে তিনি বাজার করতে বের হন। হঠাৎ ভূমিকম্পে একটি ভবনের ইটের রেলিং ভেঙে তাদের ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তারা।

বশিকপুর মহিলা মাদরাসার সুপার মাওলানা মোরশেদ আলম বলেন, নিহত রিমন পুরান ঢাকার একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। আব্দুর রহিম ভালো মানুষ ছিলেন। তাদের মৃত্যু খুবই কষ্টদায়ক।

চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বলেন, আব্দুর রহিম ও তার ছেলে রিমনের মৃত্যু আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাদের চলে যাওয়া আমরা সবাই শোকাহত করেছে। দোয়া করি-আল্লাহ যেন তাদের দু’জনকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। আমরা সবসময় তাদের পরিবারের পাশে আছি।
ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

ভূমিকম্পে নিহত বাবা-ছেলের দাফন লক্ষ্মীপুরে সম্পন্ন

আপডেট এর সময় : ১১:০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
মো. রবিউস সানি আকাশ
স্টাফ রিপোর্টার

ভূমিকম্পে রাজধানীর পুরান ঢাকায় একটি ভবনের রেলিং ভেঙে পড়ে ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম (৪৮) ও তার ছেলে মেহেরাব হোসেন রিমন (১২) নিহত হন। লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কবরস্থানে আজ তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের আস সুন্নাহ মাদরাসা ও মসজিদ কমপ্লেক্স মাঠে নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের মরদেহ দাফন করা হয়। এর আগে ভোরে বাবা-ছেলের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে কান্নায় ভেঙে পড়েন আত্মীয়-স্বজন।  পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আব্দুর রহিম রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় কাপড়ের ব্যবসা করতেন। তিনি পুরান ঢাকার সুরিটোলা স্কুলের পেছনে স্ত্রী, ৩ ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে মেজো ছেলে রিমনকে নিয়ে তিনি বাজার করতে বের হন। হঠাৎ ভূমিকম্পে একটি ভবনের ইটের রেলিং ভেঙে তাদের ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তারা।

বশিকপুর মহিলা মাদরাসার সুপার মাওলানা মোরশেদ আলম বলেন, নিহত রিমন পুরান ঢাকার একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। আব্দুর রহিম ভালো মানুষ ছিলেন। তাদের মৃত্যু খুবই কষ্টদায়ক।

চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বলেন, আব্দুর রহিম ও তার ছেলে রিমনের মৃত্যু আমাদের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাদের চলে যাওয়া আমরা সবাই শোকাহত করেছে। দোয়া করি-আল্লাহ যেন তাদের দু’জনকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। আমরা সবসময় তাদের পরিবারের পাশে আছি।