মহাকালের আবর্তে বিলীন হয়ে গেছে ২০২৩ সাল। এসেছে খ্রিস্টীয় নতুন বছর ২০২৪। মধ্যরাতে বিশ্বের সঙ্গে এই নতুন বছরকে বরণ করেছে বাংলাদেশও। নতুন বছর মানেই সবার প্রাণে নতুন স্পন্দন, নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা।
বিগত বছরের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা পেছনে ফেলে অমিত সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়া।
নির্বাচনের পরই পাঁচ বছরের জন্য গঠন করা হবে নতুন সরকার। তাই এই নতুন বছর অন্য রকম মাত্রা যোগ করছে জাতীয় জীবনে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আরোপ করেছিল বেশ কিছু বিধি-নিষেধ।
দক্ষিণাঞ্চলও শুনেছে ট্রেনের হুইসল। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের পথে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। নতুন বছরের শেষ দিকে যশোর পর্যন্ত পুরো পথে ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রেলপথে যুক্ত হয়েছে খুলনা-মোংলা ও আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন।
গেল বছরের শুরু থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গন ছিল উত্তপ্ত। বিশেষ করে বিএনপিসহ রাজপথের বিরোধী দলগুলোর আন্দোলন ছিল তুঙ্গে। সরকার পতনের এক দফা দাবিতে সোচ্চার ছিল তারা। অন্যদিকে সরকারি দল আওয়ামী লীগ পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে সক্রিয় ছিল মাঠে। পাল্টাপাল্টি সভা, সমাবেশ, মিছিল, মিটিংয়ে আতঙ্ক ছড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও। সহিংসতার একাধিক ঘটনায় হতাহতও হয়।
২০২৩ সালে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত দামে নাভিশ্বাস ছিল জনসাধারণের মধ্যে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। টিসিবির ট্রাকের সামনে দীর্ঘ লাইন ছিল খুব আলোচিত।












