রাজধানীতে চায়ের দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা

সকালবেলা প্রতিবেদকঃ
রাজধানীর শেরেবাংলানগরের কলেজ গেট এলাকায় চায়ের দোকানদার মো. অমিত হাসান (২২)–কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত অমিত কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মইশা গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে। তিনি রাজধানীর গণভবন টিনশেড কলোনি এলাকায় পরিবারসহ বসবাস করতেন। নিহতের মামা ফারুক মিয়া জানান, আজ ভোর ৪টার দিকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পাশে ফুটওভার ব্রিজের নিচে খিচুড়ি খেতে গিয়েছিলেন অমিত।

এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় মেহেদী, সোহেল, ওসমান, মামুনসহ ৫—৬ জন যুবক তার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তারা অমিতের মাথা, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং তার কাছ থেকে মোবাইল, টাকা ও স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় অমিতকে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ফারুক মিয়া আরও জানান, আরাজধানীতে চায়ের দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা: পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রাণ হারালেন অমিত ডিএমসি প্রতিনিধি।।

রাজধানীর শেরেবাংলানগরের কলেজ গেট এলাকায় চায়ের দোকানদার মো. অমিত হাসান (২২)–কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত অমিত কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মইশা গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে। তিনি রাজধানীর গণভবন টিনশেড কলোনি এলাকায় পরিবারসহ বসবাস করতেন। নিহতের মামা ফারুক মিয়া জানান, আজ ভোর ৪টার দিকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পাশে ফুটওভার ব্রিজের নিচে খিচুড়ি খেতে গিয়েছিলেন অমিত। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় মেহেদী, সোহেল, ওসমান, মামুনসহ ৫—৬ জন যুবক তার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।

তারা অমিতের মাথা, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং তার কাছ থেকে মোবাইল, টাকা ও স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় অমিতকে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সকাল ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ফারুক মিয়া আরও জানান, আট দিন আগে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে অমিতের সঙ্গে মামুন ও ওসমানের বিরোধ হয়েছিল।

এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয় এবং অমিতের দুই ভাই আকবর ও আলীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। সেই মামলা এখনও চলমান।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত অমিতের বিরুদ্ধেও শেরেবাংলানগর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, “মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।” এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ হামলাকারীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *