মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংজ্ঞায় পরিবর্তন এনে মঙ্গলবার রাতে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। সেই সংজ্ঞায় কাদের বিরুদ্ধে, কোন কোন সংগঠন দল বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীকে বীর মুক্তিযোদ্ধা বলা হবে সেটি স্পষ্ট করা হয়েছে।
জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন সংশোধন করে গতকাল মঙ্গলবার রাতে নতুন অধ্যাদেশ জারি করে।
তবে মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞায় তৎকালীন জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
উপরোক্ত দল, সংগঠন বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন, এরূপ সব বেসামরিক নাগরিক ওই সময় যাঁদের বয়স সরকার নির্ধারিত সর্বনিম্ন বয়সের মধ্যে; এবং সশস্ত্র বাহিনী, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), পুলিশ বাহিনী, মুক্তিবাহিনী, প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) ও ওই সরকারের স্বীকৃত অন্যান্য বাহিনী, নৌ কমান্ডো, কিলো ফোর্স, আনসার সদস্যরা বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন।
মুক্তিযুদ্ধের সহযোগীর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশের অভ্যন্তরে বা প্রবাসে অবস্থান করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দীপিত করা এবং মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করার প্রয়াসে সংগঠকের ভূমিকা পালন, বিশ্বজনমত গঠন, কূটনৈতিক সমর্থন অর্জন এবং মনস্তাত্ত্বিক শক্তি অর্জনের প্রেক্ষাপটে যেসব বাংলাদেশের নাগরিক প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করেছেন।










Leave a Reply