শিবিরের পূরণ করা ব্যালট প্রসঙ্গে যা বললেন ফরহাদ

অনলাইন ডেস্কঃ

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন চলাকালে কার্জন হলের দ্বিতীয় তলায় অমর একুশে হলের ভোটকেন্দ্রে এক শিক্ষার্থীকে অনিচ্ছাকৃতভাবে দুইটি ব্যালট পেপার দেয়ার সংশ্লিষ্ট পোলিং অফিসারকে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

যার মধ্যে ওই শিক্ষার্থীকে শিবিরের প্রার্থীদের পূরণ করা ব্যালট দেওয়া হয়।

ফররুখ মাহমুদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বিষয়টি যে অনিচ্ছাকৃত ভুল তা অভিযোগকারী ভোটারও বুঝতে পেরেছেন। তারপরও ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তি করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে বদ্ধপরিকর বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন তিনি।এদিকে কার্জন হলের দোতলায় অমর একুশে হলের ভোটকেন্দ্রে এক শিক্ষার্থীকে আগে পূরণ করা ব্যালট দেয়ার অভিযোগ উঠে পোলিং অফিসার জিয়াউর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

কেন্দ্রে উপস্থিত সীমা আক্তারের পোলিং এজেন্ট রাজিমুল ইসলাম ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক পোলিং এজেন্ট জানান, শুরুতে একজন ভোটারকে ব্যালটের একটি পেপারের দুটি কপি দেয়া হয়। সেই ভোটার দুটি পেপারই পূরণ করেন।

পরে একটি ব্যালট বাক্স জমা দেন ও আরেকটি টেবিলে জমা দেন। এরপর আরেক ভোটার এলে আগে পূরণ করা ফেরত দেয়া ওই ব্যালট পেপার তাকে দেন। কিন্তু সেটি পূরণ করা থাকায় ওই ভোটার সেটি ফেরত দিয়েছেন। বিষয়টি ভালোভাবে সামলানো হয়েছে বলে জানান অভিযোগকারীরা।
পোলিং অফিসার জিয়াউর রহমান চৌধুরী বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল হয়ে গেছে।তবে এদিকে শিবিরের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ বলছেন, একুশে হলে জিয়াউর নামে এক কর্মকর্তা পূরণকৃত ব্যালট বাক্সে ভরে দিয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদেরও পূরণ করা ব্যালট দিয়েছেন।

ডাকসুতে এবার মোট ভোটার ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ১৮ হাজার ৯৫৯ জন।

আর ছাত্র ২০ হাজার ৯১৫ জন। এবার ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ৪৭১ জন। আর ১৮টি হল সংসদে নির্বাচন হবে ১৩টি করে পদে। হল সংসদের ২৩৪টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন। অর্থাৎ সবমিলিয়ে এবার ভোটারদের ৪১টি ভোট দিতে হবে, সময় পাবেন ১০ মিনিট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *