আজ ৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য, ‘গ্রন্থাগারে বই পড়ি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ি’। দিবসটি গ্রন্থ ও গ্রন্থাগার সুহৃদদের জন্য উৎসবের দিন।
২০১৭ সালের ৭ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা একটি পরিপত্র জারি করে, যার মর্মার্থ—সরকার ৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ ঘোষণা করেছে এবং এই তারিখকে ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ হিসেবে উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনসংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পাঠক তৈরির মূল উৎস হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
জাতীয় গ্রন্থাগার দিবসে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—বইপাঠ প্রতিযোগিতা (১ ফেব্রুয়ারি), চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা (২ ফেব্রুয়ারি), রচনা প্রতিযোগিতা (৩ ফেব্রুয়ারি), উপস্থিত বক্তৃতা (৪ ফেব্রুয়ারি), উদ্বোধন, আলোচনাসভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান (৫ ফেব্রুয়ারি)।
বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র। এর মধ্যে রয়েছে—ক. জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন বিষয়ে ব্যানার স্থাপন; খ. বইকেন্দ্রিক আলোচনা ও উৎসব; গ. সবার মাঝে বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে উৎলি/শোভাযাত্রা; ঘ. শিশু-কিশোর পাঠকদের বই উপহার; ঙ. পাঠচক্র; চ. পাঠ প্রতিযোগিতা এবং ছ. বিদ্যালয়ভিত্তিক বই পড়া কর্মসূচি আয়োজন।
নতুন করে গড়ে উঠুক গ্রন্থাগার আন্দোলন। প্রয়োজনে গ্রন্থাগার স্থাপনে আগ্রহীদের পরামর্শ দিয়ে বইপাঠে সাধারণ নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করা দরকার।
লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশ গ্রন্থসুহৃদ সমিতি ও বেরাইদ গণপাঠাগার











Leave a Reply