মনির হোসেন, ফরিদগঞ্জ(চাঁদপুর) প্রতিনিধি
চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া ইউনিয়নের সাহাপুর গ্ৰামের মোবারক হোসেন( ৫০)। একজন সফল ক্ষুদ্র খামারী উদ্ধোক্তা । সহযোগিতা পেলেই গড়ে উঠবে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।২০০৩ সালে বিদেশ থেকে ফেরত আসার পর থেকেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন আর বিদেশ নয় মেধা শ্রম কঠোর পরিশ্রম করে গড়ে তুলব সোনার বাংলা দূর করব বেকারত্ব দেশ হবে স্বনির্ভর।এই উদ্যোগকে বুকে ধীরভাবে আঁকড়ে ধরে ২০০৫ সালে ১৫০০০০/- একলক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে মাত্র ১টি গরু দিয়ে শুরু করেন গরু খামার। ৬ মাস পরেই চিন্তা আসল কিভাবে এটাকে আরো বড় করা যায়। অর্থ অভাব ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি তার লক্ষ্য মাত্রাকে। বন্ধু বান্ধব ও আত্বীয় স্বজনদের কাছ থেকে টাকা ধার করে ক্রয় করে আরো একটি গরু।সে থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। সেই নিন্মবিত্ত থেকে আজ পর্যন্ত। বিভিন্ন সময় সরকারি পশু সম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন মেয়াদের প্রশিক্ষণ নিয়ে হাঁটি হাঁটি পা পা করে এখন তার খামারে মোট গরু সংখ্যা ১৩টি। যার বাজার মূল্য প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা। গাভী সংখ্যা ৬টি বাচুর সংখ্যা ৫টি মোটা তাজা করনীয় গরু সংখ্যা ২টি। বর্তমানে দুধ দেয় ২টি গাভী। ৪টি গর্ভবতী। বাচ্চা দেবে ধাপে ধাপে কয়েকমাস পর। দুগ্ধদানকারী গাভী দুটি দুধ দেয় সকাল বিকাল মোট ১৫ কেজি যার বাজার মূল্য ৯০০/- নয়শত টাকা। ১৩টি গরুর পেছনে ব্যয় হয় দৈনিক ১৫০০/- এক হাজার পাঁচশত টাকা। খড় ভূশি খৈল এর দাম বেশি হওয়ায় খরচ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি এমতাবস্থায় আর্থিক সহযোগীতার খুবই প্রয়োজন। বিভিন্ন বেসরকারি ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানের সুদের হার বেশি হওয়ায় ঋণ নিয়ে খামারে ব্যবহার করতে পারছেন না এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। সরকারি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সরকারি ব্যাংক প্রতিষ্ঠান থেকে সহযোগিতা না পেয়ে আগ্ৰহ হারিয়ে ফেলছে এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন- বর্তমান পরিকল্পনা কি ? কম সার্ভিস চার্জ ঋণ পেলে অথবা সরকারের কোন ধরনের সহযোগিতা পেলে একটি বায়ু গ্যাস উৎপন্ন করব যা থেকে প্রতি মাসে আয় হবে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। যা দিয়ে পুষে যাবে অতিরিক্ত খরচাপাতি। ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?উত্তরে বললেন- বড় ধরনের কোনো সহযোগিতা পেলে খামার বড় করে ৩ ভাগে বিভক্ত করব। যার একাংশে থাকবে দুগ্ধদানকারী গাভী অন্যটিতে গাভীর বাচুর এবং আরেকটিতে শুধু মোটাতাজা করনের গরু। এতে করে দূর হবে দেশের বেকারত্ব , বাস্তবায়ন হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার একটি বাড়ি একটি খামার অন্যদিকে কর্ম সংস্থান হবে ৪ থেকে ৫ জনের । মুখে আহার যোগাবে ৪ থেকে ৫টি পরিবারের। পূরন হবে পুষ্টির অভাব। স্বনির্ভর সোনার বাংলাদেশ, দেশের বেকারত্ব দূর করতে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার “একটি বাড়ি একটি খামার” প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সরকারের সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছেন এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা।

ছড়িয়ে দিনঃ