রাঙ্গাবালীতে বন্য হরিণের লোকালয়ে এসে মৃত্যু

রাঙ্গাবালী(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বন্য হরিণের লোকালয়ে এসে মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের দারভাঙা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৮ টার দিকে ওই ইউনিয়নের দারভাঙা গ্রামের লোকজন লোকালয়ে দুইটি চিত্রা হরিণ দেখতে পায়। এরপরই তারা হরিণ দুইটিকে ধরতে অতিউৎসাহি হয়ে ওঠে। একপর্যায় বেশ কিছু লোকজন হরিণ দু’টিকে ধাওয়া করলে একটি পার্শ্ববর্তী নয়ারচর বনে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। অপরটি অনেক ধস্তাধস্তি পর লোকজনের হাতে ধরা পড়ে। পরে তারা রশি দিয়ে হরিণটিকে গাছের সঙ্গে বেঁধে উল্লাস করে। বিষয়টি জানাজানি হলে ১০ টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে বন বিভাগের সদস্যরা হরণটিকে অহতাবস্থায় উদ্ধার করে। পরে অবমুক্ত করার জন্য পা বেঁধে ট্রলারযোগে সোনারচর অভয়ারণ্যে নেওয়ার পথে ওই হরিণটি মারা যায়।

স্থানিয়দের ধারণা, চরকুকরি-মুকরি কিংবা সোনারচর অভয়ারণ্য থেকে হরিণ দু’টি লোকালয়ে আসতে পারে। বন বিভাগের সোনারচর ক্যাম্পের বিট কর্মকর্তা প্রণব কুমার মিত্র জানান, ‘আমরা শুনছিÑদু’টি হরিণ লোকলয়ে চলে আসে। লোকজন ধাওয়া করলে নয়ারচর বনে একটি পালিয়ে যায়। আর আরেকটি ধাওয়া খেয়ে লোকজনের হাতে ধরা পড়ে। ধাওয়ার কারণে হরিণটি অসুস্থ হয়ে হিট-স্ট্রোক করে মারা যেতে পারে।’

এ ব্যাপারে বন বিভাগের চরমোন্তাজ রেঞ্জ কর্মকর্তা অমিতাভ বসু জানান, ‘ধারণা করা হচ্ছে পানি বেড়ে যাওয়ায় স্রোতে ভেসে হরিণটি লোকালয়ে চলে আসে। এখন আমরা মারা যাওয়া হরিণটিকে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার মাধ্যমে ময়না তদন্ত করাবো। আর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’