বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থী বেশি, ক্রেতা কম

বিকেল হলেই দর্শনার্থী বাড়তে থাকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায়। এখনো মেলায় ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি বলেই মনে করছেন বিক্রেতারা। আরেক সপ্তাহ গেলে জমবে বাণিজ্য মেলা। মেলার কয়েকটি স্টলে এখনো গোছগাছের কাজ চলতে দেখা গেছে। তবে মেলায় পছন্দের অনেক জিনিস মিলছে না বলে মনে করছেন কোনো কোনো ক্রেতা।

মোহাম্মদপুর থেকে কামরুল হাসান চঞ্চল এসেছেন মেলায়। প্রতিবারই তিনি এশিয়ান টেক্সটাইলের স্টল থেকে কাপড় কিনেন কারণ মেলা ছাড়া অন্য কোন সময়ে রাজধানীতে এশিয়ানের কাপড় মেলে না। কিন্তু এবার এশিয়ান এর স্টলে গিয়ে তিনি হতাশ। এশিয়ান টেক্সটাইলের নাম পরিবর্তন হয় ফাদার্স টেক্সটাইল হয়েছে আর যেসব কাপড় তিনি আগে কিনতেন তেমন মানসম্পন্ন কাপড় পান‌নি।

ছেলে-মেয়েদের নিয়ে মেলায় এসেছেন শেওড়াপাড়া থেকে লিটন দম্পতি। তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে মেলা ঘুরে তারা ক্লান্ত । কিন্তু বসার কোন জায়গা পা‌চ্ছেন না তারা।

লিটনের স্ত্রী শামীমা বললেন, ‘এত বড় মেলা কত শত স্টল দেখ্রলাম কিন্তু কোথাও বসে বিশ্রাম নেওয়ার মতো জায়গা পেলাম না। এখন বাচ্চাদের নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।’

হোমট্যা‌ক্সের একজন বি‌ক্রেতা জানান, সপ্তাহ পে‌রি‌য়ে গে‌ছে ক্রেতাও বাড়‌ছে। অনেকে এসে দামাদামির মধ্যে থাকছেন। এখন বিক্রি তেমন বাড়েনি।

তিনি জানান, শুরু থেকেই তাদের স্টলে ডিসকাউন্ট চলছে।

মেলায় থ্রি-পিসের এক দোকানে ক্রেতা-দর্শনার্থীর ভিড় দেখা গেল। এখানে ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের থ্রি-পিস এখা‌নে মিল‌ছে।

মেলায় মানসম্পন্ন প‌ণ্যের বাই‌রে কমদামি হ‌রেক হরেক পণ্যের ভিড় বেশি অভিযোগ করে একজন ক্রেতা বলেন, ‘কম দা‌মের থ্রি-পিস পাকেজগু‌লো মা‌নের দিক থে‌কে মো‌টেও সু‌বিধার না। অনেক থ্রি-পিস পরার মত মানেরও না। কেউ কেউ বাসায় ব্যবহারে জন্য হয় তো এগুলো কিনে নিয়ে যাবেন।’

এদিকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় ক্রেতা-বিক্রেতা, দর্শনার্থীদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা রাখা হয়েছে। চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ব্যাং‌কের এটিএম বুথ ও মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা।

শুধু ক্রেতাদের জন্য ব্যাংকিং সেবা নয়। স্টল প্যাভিলিয়ন মালিকদের জন্য রযেছে লেনদেনের বিশেষ ব্যবস্থা।

ছড়িয়ে দিনঃ