Dhaka ০৪:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৪৮টি পর্যবেক্ষন ওয়াচ টাওয়ার চালু, দুস্কৃতকারী গ্রেফতার

  • Syed Enamul Huq
  • আপডেট এর সময় : ০১:৩১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২
  • 1
কক্সবাজার প্রতিনিধি :
টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পর্যবেক্ষনের জন্য ৪৮ টি ওয়াচ টাওয়ার চালু করা হয়েছে। ওই ওয়াচ টাওয়ার থেকে ব্যাটালিয়নের অফিসার ফোর্স নিয়মিত মোতায়েন হয়ে দূরবিক্ষণ যন্ত্র ও ক্যামেরার মাধ্যমে নিরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ করে আসছেন।
এদিকে, টেকনাফের জাদিমুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে এক দুস্কৃতকারীকে গ্রেফতার করেছে আর্মড  পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
ধৃত ব্যাক্তি হচ্ছে হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া ক্যাম্প-২৭ এর ব্লক-বি/৪, এফসিএন-২৮৬৯৮৬, আবুল হাশেমের পুত্র আব্দুল মোতালেব (৪৭)।
মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অধিনায়ক এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের অফিসার ও ফোর্স সোমবার দিনগত রাত সাড় ১০ টায় অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের সক্রিয় সদস্য এবং ক্যাম্প এলাকায় মাদক ক্রয়-বিক্রয়কারী, ডাকাতি এবং অপহরণ পূর্বক মুক্তিপন আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধের জড়িত থাকার খবর পেয়ে আবদুল মতলবকে গ্রেফতার করা হয়।
এব্যাপারে জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের জিডি নং-২৯৭ লিপিবদ্ধ করে ধৃত রোহিঙ্গা আবদুল মতলবকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অপরদিকে টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পর্যবেক্ষনের জন্য ৪৮ টি ওয়াচ টাওয়ার চালু করা হয়েছে।
১০ জানুয়ারি ১৬ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বাধীন টেকনাফ থানা এলাকার রোহিঙ্গা ক্যাম্প সমূহে পর্যবেক্ষনের জন্য আটচল্লিশটি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে।
উক্ত ওয়াচ টাওয়ার সমূহে অত্র ব্যাটালিয়নের অফিসার ফোর্স নিয়মিত মোতায়েন হয়ে দূরবিক্ষণ যন্ত্র ও ক্যামেরার মাধ্যমে নিরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ করে আসছে।
এপিবিএন অধিনায়ক এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম তারিক জানান, ওয়াচ টাওয়ার সমূহে ডিউটিরত ১৬ এপিবিএন এর সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করবেন।
উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নিয়মিত অপরাধ প্রবনতা বাড়ছে। অপহরণ, মুক্তিপণ,  মাদক ক্রয়-বিক্রয়, হত্যা, ধর্ষন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডসহ নিত্য ঝগড়া লেগেই থাকে। পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় সহজে পার পেয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।
ট্যাগ :
জনপ্রিয় খবর

বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ

টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৪৮টি পর্যবেক্ষন ওয়াচ টাওয়ার চালু, দুস্কৃতকারী গ্রেফতার

আপডেট এর সময় : ০১:৩১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২
কক্সবাজার প্রতিনিধি :
টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পর্যবেক্ষনের জন্য ৪৮ টি ওয়াচ টাওয়ার চালু করা হয়েছে। ওই ওয়াচ টাওয়ার থেকে ব্যাটালিয়নের অফিসার ফোর্স নিয়মিত মোতায়েন হয়ে দূরবিক্ষণ যন্ত্র ও ক্যামেরার মাধ্যমে নিরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ করে আসছেন।
এদিকে, টেকনাফের জাদিমুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে এক দুস্কৃতকারীকে গ্রেফতার করেছে আর্মড  পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
ধৃত ব্যাক্তি হচ্ছে হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া ক্যাম্প-২৭ এর ব্লক-বি/৪, এফসিএন-২৮৬৯৮৬, আবুল হাশেমের পুত্র আব্দুল মোতালেব (৪৭)।
মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অধিনায়ক এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের অফিসার ও ফোর্স সোমবার দিনগত রাত সাড় ১০ টায় অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের সক্রিয় সদস্য এবং ক্যাম্প এলাকায় মাদক ক্রয়-বিক্রয়কারী, ডাকাতি এবং অপহরণ পূর্বক মুক্তিপন আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধের জড়িত থাকার খবর পেয়ে আবদুল মতলবকে গ্রেফতার করা হয়।
এব্যাপারে জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের জিডি নং-২৯৭ লিপিবদ্ধ করে ধৃত রোহিঙ্গা আবদুল মতলবকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অপরদিকে টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পর্যবেক্ষনের জন্য ৪৮ টি ওয়াচ টাওয়ার চালু করা হয়েছে।
১০ জানুয়ারি ১৬ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বাধীন টেকনাফ থানা এলাকার রোহিঙ্গা ক্যাম্প সমূহে পর্যবেক্ষনের জন্য আটচল্লিশটি ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে।
উক্ত ওয়াচ টাওয়ার সমূহে অত্র ব্যাটালিয়নের অফিসার ফোর্স নিয়মিত মোতায়েন হয়ে দূরবিক্ষণ যন্ত্র ও ক্যামেরার মাধ্যমে নিরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ করে আসছে।
এপিবিএন অধিনায়ক এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম তারিক জানান, ওয়াচ টাওয়ার সমূহে ডিউটিরত ১৬ এপিবিএন এর সদস্যরা পর্যবেক্ষণ করবেন।
উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নিয়মিত অপরাধ প্রবনতা বাড়ছে। অপহরণ, মুক্তিপণ,  মাদক ক্রয়-বিক্রয়, হত্যা, ধর্ষন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডসহ নিত্য ঝগড়া লেগেই থাকে। পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় সহজে পার পেয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।