কলেজ/সমমানের মাদরাসায় একাডেমিক লাইব্রেরি বাধ্যতামূলক। সেখানে গ্রন্থাগারিকের পদ হলো ‘প্রভাষক-তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা’। কলেজ স্তরে বিষয়টি সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। অনেক কলেজে গ্রন্থাগার আছে নামমাত্র। আবার যেসব কলেজে গ্রন্থাগার ও গ্রন্থাগারিক আছে, সেখানে বই ইস্যু করা হয় না, গ্রন্থাগারিক অলস সময় পার করেন কিংবা তাঁকে অন্য কাজে লাগানো হয়। ফলে গ্রন্থাগারের সঙ্গে শিক্ষার্থী/পাঠকের সংযোগ গড়ে ওঠে না। বই পড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের অনুরাগ জন্মায় না।
জাতীয় গ্রন্থাগার দিবসে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—বইপাঠ প্রতিযোগিতা (১ ফেব্রুয়ারি), চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা (২ ফেব্রুয়ারি), রচনা প্রতিযোগিতা (৩ ফেব্রুয়ারি), উপস্থিত বক্তৃতা (৪ ফেব্রুয়ারি), উদ্বোধন, আলোচনাসভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান (৫ ফেব্রুয়ারি)।
বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র। এর মধ্যে রয়েছে—ক. জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন বিষয়ে ব্যানার স্থাপন; খ. বইকেন্দ্রিক আলোচনা ও উৎসব; গ. সবার মাঝে বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে উৎলি/শোভাযাত্রা; ঘ. শিশু-কিশোর পাঠকদের বই উপহার; ঙ. পাঠচক্র; চ. পাঠ প্রতিযোগিতা এবং ছ. বিদ্যালয়ভিত্তিক বই পড়া কর্মসূচি আয়োজন।
নতুন করে গড়ে উঠুক গ্রন্থাগার আন্দোলন। প্রয়োজনে গ্রন্থাগার স্থাপনে আগ্রহীদের পরামর্শ দিয়ে বইপাঠে সাধারণ নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করা দরকার।
লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশ গ্রন্থসুহৃদ সমিতি ও বেরাইদ গণপাঠাগার