গলাচিপার উপজেলা নির্বাচনে নৌকার মাঝি হচ্ছেন হারুন মিয়া

স্টাফ রিপোর্টার,মোঃ শাহরিয়ার মাসুদ

দক্ষিন জনপদে বঙ্গোপসাগরের অববাহিকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: হারুন আর রশিদ (হারুন মিয়া) একজন ত্যাগী জননেতার নাম। পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য, ছিলেন গলাচিপা উপজেলা আওয়ামীলীগের দূ:সময়ের সভাপতি, দায়িত্ব পালন করেছেন ২০০১ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ পাঁচ বছরের মেয়াদে ছিলেন গলাচিপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। তার বাবা হাজী মোঃইসমাইল হাওলাদার (লাল মিয়া চেয়ারম্যান) গলাচিপা উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও রতনদীতালতলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তার সহোদর একে সামদুদ্দিন (আবু মিয়া) রাঙ্গাবালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পটুয়াখালী জেলা পরিষদের সদস্য।

ছাত্রজীবনেই ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতে খড়ি, ছিলেন পটুয়াখালী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে জড়িত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাথে। ছিলেন তৎকালীন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলুল হক মনির ঘনিষ্ঠ সহচর।

১৯৭০ সালের বন্যা কবলিত দক্ষিনান্চলে বঙ্গবন্ধুর সফরে তিনিও ছিলেন তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে।
১৯৭১ সালে জাতির জনকের ডাকে ঝাঁপিয়ে পড়েন মহান মুক্তিযুদ্ধে, দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩ সালে তার বাবা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে রতনদীতালতলী ইউনিয়নে পিতা-পুত্র মিলে গড়ে তোলেন রতনদীতালতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারী হওয়া স্বত্বেও সরকারী কোন চাকুরী না করে জনসেবার ব্রতে থেকে যান গলাচিপায়, শুরু করেন মানুষ গড়ার মহান পেশা শিক্ষকতা। পরবর্তীকালে তিনি রতনদীতালতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে ২০০৭ সালে অবসর গ্রহন করেন।
জনপ্রতিনিধি হওয়ার কথা ছিল অনেক আগেই, কিন্তু যোগ্যতাই তার প্রধান অন্তরায় হয়েছে, স্থানীয় ও পারিবারিক রাজনীতির মারপ্যাচের চড়াই উৎড়াই পেড়িয়ে জনপ্রতিনিধি হলেন ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারী নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে।

১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আঃবারেক মিয়ার পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালন করতে গিয়ে পানপট্টি কাজী কান্দা ভোট কেন্দ্রে সেনাবাহিনীর রাইফেলের আঘাতে কোমর ভাঙেন।
২০০১ সালে জোট সরকার ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর হামলা মামলা শক্ত হাতে মোকাবেলা করেন।এজন্য তাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের দুর্দিনের কান্ডারী হিসাবে ভূষিত করা হয়।
ঐ সময় হারুন মিয়া গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিএনপির প্রার্থী ও বিএনপি সভাপতি মোঃশাহজাহান খানের অসংলগ্ন কথাবার্তা ও কটুক্তির প্রতিবাদ করে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের পক্ষে স্টান্ডবাজি করেন।
তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ পর্যন্ত একটাই কথা হারুন মিয়ার হাতেই গলাচিপা উপজেলা পরিষদ এবং দলের নেতাকর্মী নিরাপদ।

ছড়িয়ে দিনঃ